Posts

পিরিয়ড - Wohad Mahmud (পর্ব ১-৫) [সকল পর্ব একসাথে]

Image
পিরিয়ড - Wohad Mahmud (সকল পর্ব) পিরিয়ড - পর্ব ১ পিরিয়ড - পর্ব ২ পিরিয়ড - পর্ব ৩ পিরিয়ড -  পর্ব ৪ পিরিয়ড - পর্ব ৫ (শেষ পর্ব)

পিরিয়ড - Wohad Mahmud (পর্ব ৫ শেষ পর্ব)

Image
পিরিয়ড #পর্ব-৫ (শেষ পর্ব) আমি সেখানেই অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলাম। পরে দেখি আমি হাসপাতালে। জ্ঞান ফিরে আমি তোমাদের কাছে ফোন না দিয়ে একজন নার্সের ফোন নিয়ে গফুরকে( চাচাতো ভাই) ফোন দিয়ে তোমাদের আসতে বলি। আকাশের কথা শেষ হতে না হতেই রুমের মধ্যে প্রবেশ করে আকাশের বাবা। বাবাকে দেখে আকাশ কিছুটা চমকে যায় আর ভয় পায়। সানজিদা মনে মনে ভাবে তাহলে কি বাবা সব জেনে গিয়েছে। মনে দরজার পাশে দাঁড়িয়ে সব শুনেছে আমাদের কথা। সানজিদা বলল বাবা তুমি এখানে। তোমার তো বাইরে যাওয়ার কথা। সানজিদার বাবা বলল, বাইরে গেলে তো আর সত্যি কথাটা জানতে পারতাম না। সানজিদা যেটার ভয় করছিল ঠিক সেটাই হয়েছে। সব সত্যি কথা জেনে গিয়েছে সানজিদার বাবা। সানজিদার বাবা বলল, আমি প্রথমেই বুঝেছিলাম আকাশ আমার সাথে মিথ্যা কথা বলছে। ও যখন আমাকে বলেছিল তখন ওর চোখের দিকে তাকিয়েই বোঝা যাচ্ছিল আকাশের চোখে এক কথা মুখে অন্যকথা। সানজিদার বাবা কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল, তোরা যে কী বলা কওয়া করছিলি। আকাশ তোর সাথে রাস্তার মধ্যে কী করেছিল? সানজিদা মুচকি হাসি দিয়ে বলল, না বাবা কিছু হয়নি। এমনিতেই বলছিলাম। সানজিদার বাবা তখন বলল, সত্যি কথা সব সময় উত্তম হয়।...

পিরিয়ড - Wohad Mahmud (পর্ব ৪)

Image
পিরিয়ড #পর্ব-৪ আর সেখানে কোনো অঘটন সৃষ্টি করে‌। আকাশ একা ছিল আর ওই ছেলেগুলো অনেক ছিল। আজ সারাদিন পার হয়ে রাত হয়ে গেল। রাত হয়ে গিয়েছে। সকলে খাওয়া দাওয়া বাদ দিয়েছে। রাত আনুমানিক দশটা বাজে। হঠাৎ করেই রাতে কলিং বেল বেজে ওঠে। সানজিদার মা তাড়াতাড়ি করে দরজা খুলেই দেখে যে, আকাশ দাঁড়িয়ে আছে দরজার সামনে। কিন্তু স্বাভাবিক অবস্থায় নেই। চুলগুলো কেমন এলোমেলো। মাথ ফেটে রক্ত বাহির হচ্ছে। সানজিদার মা কী করবে বুঝতে পারছে না। ছেলের এমন অবস্থা দেখে বাক রুদ্ধ হয়ে গেছে। আকাশ রুমের মধ্যে ঢুকতেই অজ্ঞান হয়ে নিচে পড়ে যায়। এটা দেখে সানজিদার মা চিৎকার করে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায় নিচে। সানজিদা, সানজিদার বাবা আর বড় ভাই ছুটে আসে সানজিদার মায়ের চিৎকার শুনে। এসে বলে মা কী হয়েছে চিৎকার কেন করলে? খারাপ কোনো স্বপ্ন দেখেছো না-কি? এমন পরিস্থিতি দেখে সানজিদার মা বুঝতে পারে এটা স্বপ্ন ছিল বাস্তব না। কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলে, হ্যাঁ আমি খারাপ একটা স্বপ্ন দেখেছি। কী স্বপ্ন? সবাই একসাথে বসে ছিলাম হঠাৎ কলিং বেলের শব্দে গিয়ে দেখি দরজার পাশে আকাশ আর মাথা ফেটে রক্ত বাহির হচ্ছে। চুলগুলো কেমন এলোমেলো হয়ে আছে। ঘরের ...

পিরিয়ড - Wohad Mahmud (পর্ব ৩)

Image
  পিরিয়ড #পর্ব-৩ প্রতিদিন যায় হোক না কেন, সানজিদার বাবার সংবাদ দেখা মিস হবে না। সারাদিন ছেলে নিখোঁজ কিন্তু খবর তার দেখতেই হবে, ছেলে খোঁজ বাদ দিয়ে সংবাদ। সানজিদার মা এসে বলে আপনার কী আক্কেল জ্ঞান বলতে কিছু আছে? কেন আমি আবার কী করলাম? আপনার ছেলে সারাদিন নিখোঁজ আপনি তাকে না খুঁজে এখন সংবাদ দেখছেন। আত্মীয় স্বজনের বাসায় একটু ফোন দিয়ে দেখতেও তো পারেন। তোমার ছেলের সেদিনের কথা কী ভুলে গেলে? নানির বাসায় গিয়ে বসে ছিল আমাদের কিছু না বলে। আমি ওর নানির বাসায় ও ফোন দিছি সেখানেই নেই । হঠাৎ সংবাদ দেখার সময়, সংবাদে বলে আজ সন্ধ্যার সময় চুয়াডাঙ্গা সদরে ব্রিজের পাশে একটা গলা কাটা লাশ পাওয়া গেছে। বয়স আনুমানিক ১৭ বছরের কাছাকাছি হবে। সানজিদার বাবার মনে ভয় জেগে যায়। আকাশের বয়স প্রায় ১৮ বছর। এটা কী তাহলে আকাশের লাশ। তওবা তওবা এমন হতে পারে না। আকাশের সাথে কার কী শত্রুতা যে, এমন হবে। সানজিদার মা কান্নাকাটি শুরু করে দিয়েছে। সানজিদার বড় ভাই বলল, মা থামো তো। এমন করছো মনে হচ্ছে ওটা সত্যি সত্যি আকাশের লাশ। অন্যকারো হতে পারে। নিজেকে দূর্বল না করে শক্ত করো। আমাদের থানায় গিয়ে দেখে আসা উচিত। সানজ...

পিরিয়ড - Wohad Mahmud (পর্ব ২)

Image
পিরিয়ড #পর্ব-২ কালকের মতো আজকেও টিউশনি শেষ করে বাসায় যাচ্ছিল সানজিদা। দূর থেকে দেখছে সানজিদার ছোট ভাই আর কিছু ছেলে দাঁড়িয়ে আছে। সানজিদা কে দেখে শিস বাজাচ্ছে বিভিন্ন ভাবে উত্যক্ত করছে। সানজিদার ছোটভাই ও এমন করছে। আস্তে আস্তে সানজিদা ওর ছোট ভাইয়ের কাছে যাচ্ছে। কাছে গিয়ে ভাইয়ের সামনে দাড়াই। সামনে গিয়ে দাঁড়াতেই কিছু ছেলে বলে তোর কপাল অনেক ভালো। মনে হয় পছন্দ হয়েছে তোকে। আর তোকে প্রপোজ করার জন্য আসছে। সানজিদার ভাই মিট মিট করে হাসছে। তখন সানজিদা ওর মুখ থেকে হিজাব টা খুলে ফেলে আর ভাইয়ের দিকে রাগি দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। মনে মনে চাচ্ছে পায়ের স্যান্ডেল খুলে মুখে কয়েকটা মারতে। পাশের ছেলে গুলো তখন বলে এখন হিজাব খুলেছে পরবর্তীতে আরো অনেক কিছু খুলবে। আমাদের একটু ভাগ দিস। সানজিদার ভাই সানজিদাকে দেখে নিথর হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। মনে হচ্ছে যেন, কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলেছে। মাটির দিকে লজ্জা মুখ নিয়ে তাকিয়ে আছে। কথা বলার মতো মুখ নেই। সানজিদা তখন বলে। আমার বিশ্বাস হচ্ছে না তুই এমনটা করতে পারিস। কালকেও তুই এমন করেছিস আজকেও এমন করছিস। তাও আবার নিজের বোনের সাথে। না জানি বাকি মেয়েদের সাথে কী করিস...

পিরিয়ড - Wohad Mahmud (পর্ব ১)

Image
পিরিয়ড #পর্ব ১ পিরিয়ডের সময় হচ্ছে সানজিদার। কালকে পিরিয়ডের ডেট। টিউশনি থেকে আসার সময় ফার্মেসি থেকে প্যাড কিনে বাসায় ফিরছিল। বাসায় যাওয়ার সময় কিছু বখাটে ছেলে সানজিদার পিছনে অশ্লীল ভঙ্গিতে কথা বলতে বলতে যাচ্ছিল। প্যাড টা একটা প্যাকেটের মধ্যে ছিল। বাইরে থেকে বোঝা যাচ্ছিল পেকেটের মধ্যে প্যাড আছে। ব্যাগের মধ্যে বই বেশি হওয়ায় প্যাড ব্যাগের মধ্যে নেয়নি। যদিও সেভাবে নিলে ব্যাগের মধ্যে জায়গা হয়ে যেত। যতসব দোষ সানজিদার বান্ধবীর। সানজিদা বলেছিলাম ভালো করে ঢেকে নিই। বলা যাই না রাস্তার কেউ খারাপ দৃষ্টিতে থাকতে পারে। কিন্তু সানজিদার বান্ধবী বলে এখন আর আগের মতো সময় নেই।এসব সমস্যা অনেক আগে হতো। এটা নিয়ে কেউ আর খারাপ কথা বলবে না। কিন্তু এখন বখাটে ছেলে গুলো সানজিদার পিছনে লেগেছে। রাস্তা কিছু টা নির্জন মতো‌। বেশি মানুষ যাতায়াত করে না। আর সে জন্যই বখাটে ছেলেগুলো আর বেশি সুযোগ পেয়েছে। এখনো কিছু কিছু কুলাঙ্গার আছে যারা মানসিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। এমন পরিস্থিতিতে কিছুটা ভয় পেয়ে যায় সানজিদা। কী করবে বুঝতে পারছে না। রাস্তায় কোনো মহিলা বা পুরুষ মানুষ নেই যে, তাদের কাছে থেকে সাহায্য নিবে। দুপুর...

মেঘের শহর - সাজি আফরোজ (পর্ব ১১)

Image
Saji Afroz - সাজি আফরোজ #মেঘের_শহর #পর্ব_১১ Saji Afroz . সাইয়ারা কে দেখে অন্তরা আহম্মেদ এক গাল হেসে তাকে ভেতরে আসতে বললেন। মিন্নী এবং মেঘও ড্রয়িং রুমে আছে। তাদের পাশে এসে সোফার উপরে বসলো সে। সোফার সামনে থাকা ছোট টেবিল টার উপরে বড় এক বাটি কাঁঠালের কোষ দেখে সাইয়ারা জানালো, কাঁঠাল তার প্রিয় ফল। শুনে অন্তরা আহম্মেদ বেশ খুশি হলেন৷ তাকে কাঁঠাল খেতে বললেন। সাইয়ারা খাওয়া শুরু করলে মিন্নী জানায়, তার কাঁঠাল পছন্দ নয়। শুধু তার নয়, মেঘেরও পছন্দ নয়। অন্তরা আহম্মেদ একটু গম্ভীর স্বরে বললেন- তোদের রুচি ঠিক নেই তাই। কত্ত মজার একটা ফল কাঁঠাল! মজার না হলে নিশ্চয় জাতীয় ফল হত না? . তার সাথে তাল মিলিয়ে সাইয়ারা বলল- শুধুই যে মজার জন্য জাতীয় ফল এমন টা নয়। এর অনেক কারণ রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো, কাঠাল প্রচুর পরিমাণের পুষ্টিকর ফল। রান্না ছাড়া অবস্থায় খেলে এর পুষ্টি উপাদান অবিবৃত অবস্থায় দেহে শোষিত হয়। প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁঠালে কাঁচা অবস্থায় ৯.৪ গ্রাম এবং পাকা অবস্থায় ১৮.৯ গ্রাম শর্করা, কাঁচা অবস্থায় ২.৬ গ্রাম এবং পাকা অবস্থায় ২.০ গ্রাম আমিষ, কাঁচা ও পাকা উভয় অবস্থায় ১.১ গ্রাম খনিজ লবন এবং যথেষ্ট পরিমান ভিট...

মেঘের শহর - সাজি আফরোজ (পর্ব ১০)

Image
Saji Afroz - সাজি আফরোজ #মেঘের_শহর #পর্ব_১০ Saji Afroz . মেঘের ফ্যাকাসে মুখটা দেখে হো হো শব্দে হেসে উঠল হুরায়রা। তাকে এভাবে হাসতে মেঘ এই প্রথমবার দেখছে। কি সুন্দর ভাবে হাসতে পারে মেয়েটি! আজ না দেখলে জানতোই না মেঘ। হুরায়রা হাসি থামিয়ে বলল- ভয় পাওয়ার কিছু নেই। মেয়েটি আমিই ছিলাম। . মেঘ মুগ্ধ দৃষ্টিতে হুরায়রার দিকে তাকিয়ে বলল- আরেকবার শব্দ করে হাসবেন? আপনার হাসি টা অদ্ভুত সুন্দর! . হুরায়রা হাসলো না। গম্ভীরমুখ নিয়ে হাঁটতে শুরু করলে মেঘও হাঁটতে লাগলো তার পাশেপাশে। এই হাসি এই মুখ ভার! কেমন যেন মেয়েটা। তাকে বুঝে উঠতে হিমশিম খেতে হচ্ছে মেঘের। দুজনেই নীরব। পাশাপাশি হঁাটছে কিন্তু কোনো কথা বলছে না। প্রিয় মানুষ টা এত কাছে থাকলে কথা না বলে থাকা যায়? মেঘের মনে হচ্ছে তার মুখটা তো কথা বলার জন্য লাফালাফি করছে। সুপার গ্লু দিয়ে লাগিয়ে রাখলেও এখন কাজ হবে না! -আমাকে বন্ধু বলে পরিচয় করিয়ে দেন মানুষের কাছে অথচ পাশে থাকলে কাজের ছেলের পাত্তাও দেন না। কেনো বলুন তো? -কাল আমিই কিন্তু আপনাকে চা বানিয়ে খাইয়ে ছিলাম। -সেটাও মন থেকে নয়। খালা কে চাকরির ব্যবস্থা করে দেয়ার জন্য খুশি হয়ে... মেঘ থেমে গেল। চা এর কথা উঠতেই ত...

মেঘের শহর - সাজি আফরোজ (পর্ব ৯)

Image
Saji Afroz - সাজি আফরোজ #মেঘের_শহর #পর্ব_৯ Saji Afroz .  রাতে বন্ধুদের সাথে আড্ডায় মেতে থাকতে থাকতে মদ খাওয়া ছিল জিকোর অভ্যেস। মদ খেয়ে বাড়িতে আসার সময় রাস্তায় সিগারেটের ধোঁয়া উড়াতো। শারীরিক পরিবর্তন হবার পর থেকে এসব আর সম্ভব হচ্ছে না। হাতে তেমন টাকাও নেই যে মদ কিনে নষ্ট করবে। তবে একটা সিগারেট তো খাওয়াই যায়? আর না ভেবে বাড়ির বাইরে এল জিকো। রাত কম হয়নি। একটা বাজতে চললো। এই রাতে দোকান খোলা থাকে না। কিন্তু কিছু দোকান খোলা থাকে তাদের মতো ছেলেদের জন্য। তাদের তৃপ্তি মেটানোর জন্যই যেন সারারাত দোকান গুলি খোলা থাকে। এসব দোকানের খোঁজ জিকো জানে। তবে বেশ দূরে। এতদূর হেঁটে যেতে তার ইচ্ছে না করলেও হাঁটতে শুরু করলো। কিছুদূর যেতেই তার দিকে একজন কে এগিয়ে আসতে দেখছে জিকো। লোকটির হাঁটার ভঙ্গিই বলে দিচ্ছে তার পকেটে সিগারেট ও দিয়াশলাই আছে।  একই ঘাটের মাঝি তো, বুঝতে অসুবিধে হবার কথা না! লোকটি পাশে চলে আসতেই জিকো তাকে থামতে বলল। শ্যামবর্ণের মোটাসোটা লোকটি থেমে জিকোর দিকে সন্দেহের দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল।  জিকো তাকে সিগারেট ও দিয়াশলাই আছে কি না জিজ্ঞাসা করলে তিনি অবাক হলেন না। অথচ তার অবাক হবার প্রয়োজন ছিল। একজন ম...

মেঘের শহর - সাজি আফরোজ (পর্ব ৮)

Image
Saji Afroz - সাজি আফরোজ #মেঘের_শহর #পর্ব_৮ Saji Afroz . হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলো। বৃষ্টির প্রথম ঝাপটায় হুরায়রা নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে ছিল। চায়ের দোকান গুলোও খোলা ছিল। এখন বৃষ্টি বাড়তে শুরু করেছে। দোকান বন্ধ হয়ে গেছে।  আশেপাশে কোনো মানুষ নেই। বৃষ্টি পড়লে নদীর পাড়ে সহজে মানুষ আসে না। তাই দোকানও বন্ধ হয়ে যায়। হুরায়রা দেখতে পেল, খুঁটিতে বাঁধা দু'টি গরু আছে। মনে হচ্ছে একটি মা গরু আরেকটি তার বাচ্চা। গরু গুলোকে দেখে হুরায়রার নিজেকে একা মনে হচ্ছে না। এদের মালিক না আসা পর্যন্ত এখানে সময় কাটাবে ভেবে নিলো সে। যদিও হুরায়রা ছাতা আনেনি।  তাই সে ভিজে যাচ্ছে । তবুও তার ভালো লাগছে৷ পরে না হয় একটা গাড়ি ঠিক করে চলে যাবে। এখন সে এখানেই থাকতে চায়। বৃষ্টির দিনে নদীর সৌন্দর্য দেখার মজাই আলাদা। -এই বৃষ্টিতে আপনি এখানে? . পেছনে ফিরে মেঘকে দেখে অবাক হলো হুরায়রা। আজ এখানে সে মেঘের দেখা পাবে ভাবেনি। হুরায়রা কাতান কাপড়ের একটি সালোয়ার কামিজ পরেছে। তাই বৃষ্টিতে ভিজলেও তার শরীরের কোনো অংশ বোঝা যাবে না। এই ব্যাপারে নিশ্চিত সে। তবুও মেঘ কে দেখে নিজের শরীরের ওড়না ঠিক করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। মেঘ তার অবস্থা বুঝতে পেরে চোখ সরিয়ে ...