Posts

Showing posts with the label ফেসবুক স্ট্যাটাস

কিছু অপ্রিয় সত্তি কথা

Image
  যেখানে Kiss ছাড়া কেও ঘুমাতে যায় না,সেইখানে রিলেশন কিভাবে পবিত্র   🙂 💔 যেখানে অশ্লীল কথা ছাড়া কথাগুলো বিরক্তকর লাগে, সেইখানে রিলেশন কিভাবে পবিত্র  🙂 💔 যেখানে লুচ্চামি ছাড়া মেয়েরা পটে না, সেইখানে রিলেশন কিভাবে পবিত্র 🙂 💔 যেখানে হাত ধরাধরি ছাড়া রাস্তায় চলা যায় না,সেইখানে রিলেশন পবিত্র  🙂 💔 যেখানে Park এ গিয়ে টিপাটিপি ছাড়া থাকা যায় না,সেইখানে রিলেটিভিটি কিভাবে পবিত্র  🙂 💔 যেখানে শরীরের প্রতিটি অঙ্গের পিক না দেখলে ব্রেকাপ দেওয়া হয়,সেইখানে রিলেশন কিভাবে পবিত্র  🙂 💔 যেখানে বিয়ের আগেই Room Date করা হয়,সেইখানে রিলেশন কিভাবে পবিত্র  🙂 💔 সব শেষ এ একটাই কথা বলতে চাই ভালোবাসা পবিত্র রিলেশন না 🌺 সব শেষ এ একটাই কথা বলতে চাই ভালোবাসা হালাল কিন্তু রিলেশন না মনে ভয় রাখুন হিসাব দেওয়া লাগবে,কিভাবে দিবেন এইসব হিসাব মরার পর 🙂 এটা দুনিয়া আখিরাত না দুনিয়াটা হলো এক বিন্দু পানির মতো  😇 আর আখিরাত হলো একটা সাগরের মতো শুরু আছে কিন্তু নাই শেষ ☺️ সবাই পাপ করছে বলে আপনি করবেন জান্নাতে সবাই যাবে না তেমনি জাহান্নামেও সবাই যাবে না 😊 আপন...

স্ত্রীর ভালোবাসা - ফেসবুক

Image
স্ত্রীর ভালোবাসা............ • রুমে ঢুকেই অবাক হয়ে গেলো স্বামী । স্ত্রী ব্যাগ গোছাচ্ছে। • স্বামী :- সে কী.! কোথায় যাচ্ছো তুমি.?? • স্ত্রী :- বাপের বাড়ি। • স্বামী :- কেনো.? • স্ত্রী :- থাকব না আমি তোমার সঙ্গে। • স্বামী :- আশ্চর্য.! কী অন্যায় আমার.?樂 • স্ত্রী :- আমার বাবা একটা ভুল মানুষের কাছে আমাকে বিয়ে দিয়েছেন। • স্বামী :- হুমমম ; বুঝলাম.!! কিন্তু আমার ভুলটা কি বলবে তো.?? ... ... স্ত্রী :- তুমি একদিনও তাহাজ্জুদ পড়ো না।郎 • স্বামী :- ...........................( স্বামী নিশ্চুপ ) • স্ত্রী :- তুমি কুরআন তিলাওয়াত তো ছেড়েই দিয়েছো.!! • স্বামী :- .............................( স্বামী নিশ্চুপ ) • স্ত্রী :- কথা ছিলো,, একই প্লেটে খাবার খাবো, তুমি কথা রেখেছো.? • স্বামী :- .......................... ( স্বামী নিশ্চুপ ) • স্ত্রী :- একটাও তো ঠিক মত হচ্ছে না।কেনো থাকবো আমি তোমার সঙ্গে.?? ... ... স্ত্রী ব্যাগ হাতে বের হয়ে যেতে উদ্যত। স্বামী পিছন থেকে স্ত্রীর একটা হাত ধরলো। ... ... ... স্বামী :- যেও না,, লক্ষ্ম...

সময় পরিবর্তনশীল

Image
* ১০ বছর আগে ক্লাসের সবচেয়ে সুন্দরী নজর কাড়া মেয়েটাও এখন দুই সন্তানের মা.. কিন্তু সেই রুপ আর নাই.... * সব পরীক্ষায় নকল করে পাস করা ছেলেটিও এখন বিসিএস ক্যাডার..... * ক্লাসের পড়াশুনোয় সবচেয়ে বেশি সময় ব্যয় করা ছেলেটিও এখন বেকার ঘুরছে... *অন্যের গার্ল ফ্রেন্ড ভাগিয়ে নিয়ে যাওয়া বাইকওয়ালা ছেলেটার হবু বউও এখন আরেক প্রতিষ্ঠিত টাকাওয়ালার বিয়ে করা বউ... * ৮ বছর আগে ক্লাসে সবচেয়ে অহংকার নিয়ে চলাফেরা করা ছেলেটাও এখন ঋণের বোঝা নিয়ে কোন মতে বেচে আছে.... * ১০ বছর আগে ক্লাসের লাস্টে বসা প্রতিনিয়ত খারাপ রেজাল্ট করা ছেলেটাও এখন ডাক্তারি পড়া শেষ করে ফেলেছে... * ৬-৭ বছর ধরে বারবার বয়ফ্রেন্ড চেঞ্জ করা ফর্সা সুন্দরী মেয়েটাও এখন পাত্র পক্ষের কাছে বার বার রিজেক্ট হচ্ছে.... * ৫ বছর আগের সবচেয়ে সেরা জুটিটা এখন একজন আরেকজনের ব্লক লিস্টে.... * ৭-৮ বছর ধরে নিজের ইচ্ছামতো একের পর এক প্রেম করা মেয়েটিও এখন নিজের অনিচ্ছায় অপছন্দের মানুষের সাথে সংসার করছে... * ১০ বছর আগে আড্ডা জমানো ছেলেটাকে বন্ধু সার্কেল থেকে সরিয়ে দেওয়া মানুষটা এখনো বন্ধুত্তহীনতায় ভুগছে.... কখন কার কপালে কি ঘটে তা আগ...

মুখোশের আড়ালে - সাজি আফরোজ (পর্ব ১৮)

Image
প্রথম এই বাড়িতে তিশানীর সাথে পা রেখেছিলো উষ্ণ । তিশানী তার মামা-মামীর সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য উষ্ণকে নিয়ে এসেছিলো । এই সোফাটায় বসেছিলো সে । তিশানীর মামা গম্ভীর একজন মানুষ । কথা কম বলতে পছন্দ করেন তিনি । যা বলে সোজা সাপ্টাই বলতে পছন্দ করেন । উষ্ণ এত মতো একজন জনপ্রিয় ব্যক্তিকে দেখেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া ছিলোনা । বরং উষ্ণের পা থেকে মাথা পর্যন্ত দেখে তিনি বলেছিলেন- ছেলে হিসেবে দেখতে ভালো তুমি! . তার কথা শুনে উষ্ণ হেসে ফেলেছিলো । তিশানীর মামা তার গম্ভীর গলায় বলেছিলেন- তুমি দেখতে ভালো, এটা কি বলার মতো কিছু নয় বলে হাসছো? -তা নয় । খুশি হয়ে হাসলাম । -বেশ! তা তুমি তিশানীর মতো একজন সাধারণ মেয়েকে পছন্দ করেছো কেনো? তুমি উষ্ণ মাহমুদ! অসাধারণ কাউকে পেতে । -তিশা আমার কাছে সাধারণের মাঝেই অসাধারণ । ভালোবাসি কেনো তা জানিনা! তবে অনেক বেশিই ভালোবাসি । আর সারাজীবন বাসতে চাই । . উষ্ণের কথা শুনে কিছুক্ষণ চুপ থেকে তিনি বলেছিলেন- তোমাদের জীবন সিদ্ধান্ত তোমাদের ৷ আমি আর কি বলবো! তবে দ্রুত বিয়েটা হয়ে গেলেই উত্তম । আমরা দেশের বাইরে যাবো । এর আগেই তিশানীর দায়িত্ব তুমি নিলে ভালো হয় । . - উষ্ণ? ...

মুখোশের আড়ালে - সাজি আফরোজ (পর্ব ৪)

Image
বিকেলে নিজের বাগানে হাঁটাহাঁটি করা মিয়াজ শেখের অভ্যেস ৷ আজও এর ব্যতিক্রম হলোনা । বাগানে পায়চারী করছেন তিনি । হঠাৎ একটি মেয়েলি কণ্ঠস্বর তার কানে এলো- আমারো খুব ইচ্ছে, এমন ফুলের বাগান করার ৷ করবো করবো বলে করা হয়ে উঠেনি । . পেছনে ফিরে পৌষীকে দেখে বেশ অবাকই হলেন মিয়াজ শেখ । মৃদু হেসে বললেন- পৌষি! কি অবস্থা তোমার? -ভালোই । আপনার? -আমিও ভালো আছি । তুমি হঠাৎ? -নিমন্ত্রণ আপনিই করেছিলেন । -তা করেছি । কিন্তু এভাবে হুট করে আশা করিনি । -তবে চলে যাই? -আমি ওভাবে বিষয়টা বুঝাইনি । আমি চেয়েছি তুমি আসো । তাইতো ফোন দিয়েছিলাম । তবে এখন হঠাৎই দেখলাম... -সুযোগ পেয়েছি, চলে এসেছি । -বেশ ভালো করেছো । তোমার স্বামী কোথায়? -সে অফিসে । -ও আচ্ছা । . এরইমাঝে বাগানে এসে উপস্থিত হলেন আমেনা বেগম । পৌষী তার পাশে এসে সালাম জানিয়ে জড়িয়ে ধরলেন তাকে । পৌষীর সাথে কিছুক্ষণ কথা বললেন তিনি । বেশ ভালোই লাগলো পৌষীকে । কথার এক পর্যায়ে তিনি বললেন- তোমরা কথা বলো, আমি চায়ের ব্যবস্থা করছি । -আন্টি কোনো প্রয়োজন নেই এসবের । -তোমার না থাকলেও আমার আছে । প্রথমবার আমার বাড়িতে এসেছো তুমি । . আমেনা বেগম ভেতরের দিক...

বান্ধবী - সাজি আফরোজ (পর্ব ২)

Image
ঘুমটা ভাঙতেই শোয়া থেকে উঠে বসলো ঝুমু। পাশ ফিরে দেখলো, মুনিয়া গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। তার বালিশের পাশেই মোবাইলটা দেখা যাচ্ছে। ঝুমু খুব সাবধানে মুনিয়ার মোবাইলটি হাতে নিলো। সকাল ১০টা বেজে গেলো! আজ এতোক্ষণ ঘুমিয়েছে সে, অবিশ্বাস্য! আর কিছু না ভেবে মেসেজ অপশন চেক করতে থাকলো ঝুমু। মুনিয়ার ফোনের পাসওয়ার্ড তার অজানা নয়। চ্যাট দেখে মুচকি হাসলো ঝুমু। মুনিয়া ঠিক তার মতোই কথা বলেছে ইমরুলের সাথে। কোনো হাবিজাবি কথা বলেনি। কিন্তু তবুও ইমরুলের জানা উচিত, চ্যাট করা মেয়েটি কে। ঝুমু কিছু টাইপ করতে যাবে ঠিক তখনি তার হাত থেকে মোবাইলটা কেড়ে নিলো মুনিয়া। ভাঙ্গা গলায় বললো- ফাজলামো করিস না ঝুমু। ঘুমিয়ে পড়। -১০টা বাজলো, আরো ঘুমোবো! -পরীক্ষা শেষে দিনের ১২টা পর্যন্ত ঘুমানো উচিত। -তোর গলা ভেঙে গিয়েছে। কেনো যে কাল আইসক্রিম খাবার আবদার রাখতে গেলাম... . ঝুমু খেয়াল করলো মুনিয়ার চোখের ঘুম কাটেনি এখনো। তাই সে আর কথা না বলে উঠে পড়লো। বারান্দায় এসে দেখলো, আকাশটা একেবারেই পরিষ্কার। মনেই হচ্ছেনা, কাল বৃষ্টি পড়েছে। পেছন থেকে মুনিয়া বলে উঠলো- মেসেজ এসেছে ইমরুলের। ছাতা নিয়ে যেতে বললো। -নিয়ে যা। -আমি! ছাতাটা বুঝি...

আমাদের সমাজের কিছু ভুল ধারনা

Image
ছেলের মা: দেখি মা দাড়াও তো তুমি কতটুকু লম্বা দেখি  ok ছেলের মা: ঘোমটা খোল তো চুল দেখি  ok ছেলের মা: একটু হাটো তো ok ছেলের মা: পা দেখাও তো মা। পা দেখি ok ছেলের মা: মা এবার একটু কথা বলো তো  মেয়ে: আন্টি দেখি আপনার ছেলের হাইট ইয়া আল্লাহ এটা তো পুরোই বাট্টু, ছোট বেলায় কমপ্লেইন খাওয়াননি??  :দেখি দেখি চুল দেখি?? মাথা এত কম বয়সে চুল সব ঝরে গেলো কিভাবে? এই বয়সেই টাক?? : ওনাকে একটু হাটতে বলুন তো? এভাবে হেলেদুলে হাটে কেন? পায়ে সমস্যা নাকি?? :আন্টি উনার জুতা খুলুন তো পা দেখি এত্ত মোটা পা!? একে তো বিয়েই করাই যাবে না। আমি মরে টরে গেলে পরে?? তাকে বিয়ে করলে তো আমার লাইফ শেষ হয়ে যাবে : দেখি কথা বলে দেখাতে বলুন樂樂 ছেলে: আ-আম্মুউউউউউ...... মেয়ে: ছেলে তো দেখি তোতলায়ও ছেলের মা: তুমি তো অতিরিক্ত বেয়াদপ মেয়ে মেয়ে: আপনার ছেলে কোন্ হাল গাছের বাল যে তাকে বিয়ে করতে আমাকে ভাইবা/ফিজিক্যাল টেস্ট সব দিতে হবে?? যান কেটে পড়ুন আপনার বাঁকা সোনার চামচ নিয়া 