ডিটেকটিভ তিশা - শাহেদুল ইসলাম মাহিম (পর্ব ৭) [শেষ পর্ব]
বর্ণ- আমিন সাহেব যখন কয়েকমাসের জন্যে ব্যবসার কাজে বিদেশে পাড়ি জমান, তখনই সাব্বির এরকম অবাধ্যতা আর অবৈধ কাজে জড়িয়ে পরে।
ধীরে ধীরে সে হয়ে উঠে মাস্টার মাইন্ড।
তবে এই কাজের শুরুতে তাকে গুনতে হবে মোটা অংকের টাকা। অর্থাৎ ইনভেস্টমেন্ট।
এরপর আবার ১০গুন ইনকামও আছে। আর সাব্বির তার ইনভেস্টমেন্ট তার বাবার কাছ চাইলে তিনি মানা করে দেন। পরবর্তীতে সে যখন চরম অবাধ্য হয়ে উঠে তখন আমিন সাহেব আমাদের কাছে আসে।
- কিন্তু আমাদের কাছেই কেনো?
যদি আমিন সাহেব পুলিশের কাছে গিয়ে সাহায্য চাইতো সেটা তার ক্যারিয়ার ও
রিপোটশনের জন্য ভালো ঠেকতো না। তাই আমাদের কাছে এসেছিলো সে জানতো যে সাব্বিরের সাথে তোমার ভালো সম্পর্ক। তিনি চেয়েছিলো তুমি যাতে নিজে সত্যটা বের করো আর ওকে বুঝাও এই বিষয় নিয়ে
তিশা- ওকে তো আমি দেখতেই গুলি করে মাথার খুলি উড়িয়ে দিবো। কিন্তু ওর বিড়ালকে এতো বড় করার রহস্য কি?
- রহস্য হচ্ছে এই ব্যবসায় যার কাছে বেশি পাওয়ার থাকবে অথবা শক্তিশালী অস্ত্র থাকবে সেই এই ব্যবসাতে টিকে থাকতে পারবে।
আর ও অস্র হিসেবে হিংস্রতাকে ব্যবহার করছে।
সে জন্য সে বিদেশ থেকে এক কপি ফরমুলা নিয়ে আসে যেটি তার বিড়ালটিকে এরকম হিংস্র জাতীয় করে তুলতে সাহায্য করে। যার মূল্য ছিলো কোটি টাকার উপরে।
সরকার এই ফরমুলাটি বিপদজনক দেখে সিল করে দিয়েছিলো। কিন্তু জানি না কোন মানুষ রুপি জানোয়ার গুলো এসব আবার তৈরি করছে।
আর আমাকে এখানে নিয়ে আসা হয় সে কপি থেকে যেনো এরকম আরো অনেক ফরমুলা বানানো যায়।
আমি তাকে না করতে চেয়েও পারিনি।
কারণ তোমাদের ক্ষতি করতে পারে সাব্বির।
কিন্তু আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না আমাকেই কেনো এই কাজে ব্যবহার করেছে?
- সেটা তো ওর এস** এ দুইটা লাথি মারলেই বের হবে।
কিন্তক আমার চিন্তা এখন হুরকে নিয়ে।
হুর যদি এসবে জড়িত থাকে তাহলে বেপারটা আমাদের জন্য আরো মুশকিল হয়ে যাবে।
- হুরাইরা এসবের সাথে জড়িত??? কি বলছো তুমি। আমার মনে হয় তোমার কোথাও ভুল হচ্ছে!
- হইতো তবে তার কিছু আচার আচরণে আমি..........
তিশাকে থামিয়ে দিয়ে,
হইতো তইতো কিচ্ছু না।
তুমি এখন এখান থেকে চলে যাও যেকোন মুহূর্তে ওরা চলে আসতে পারে। আজকে ওদের একটা ডিল আছে।
- নাহ আমি তোমাকে এখানে এইভাবে একা রেখে যাবো না।
- উহু। আচ্ছা শোন আমার মাথায় একটা প্লেন এসেছে।
-কি??
...............................
সাব্বির তার মিনিকে কোলে নিয়ে বেসমেন্টে ঢুকলো।
মিনির গায়ে হাত বুলাতে বুলাতে সাব্বির এগিয়ে যায়
বর্ণকে যেখানে বেঁধে রাখা হয়েছিলো।
সে রুমে ঢুকতে ঢুকতে,
- আজকের দিনটাই খারাপ ২টা শেষ দুটো ফরমুলা ছিলো একটা তুই ভেঙ্গে ফেলেছিস।
এখন মাত্র আরেকটা আছে।
আর আজকের ডিলটাও হলো না।
সালা আমি আরো ভেবেছিলাম টাকা ছাড়ায় ডিলটা হয়ে যাবে কারণ একবার এখানে আসলে তো আমার মিনি সোনাটা তাদের ছাড়তো না।
এদিকে মিনি সাব্বিরের কানে মুখ লাগাচ্ছে।
......
যাক সমস্যা নেই বর্ণ।
তুই যতোদিন বেঁচে থাকবি ততোদিন আমার এমন ফরমুলা এর অভাব পড়বে না।
বর্ণের চেয়ারের দিকে চোখের পলক উঠাতে উঠাতে
.
.
আর তিশার কথাও কি বলবো?.....
চেয়ারের দিকে তাকাতেই সাব্বিরের চোখ কপালে উঠে যায়।
কারণ
বর্ণের জায়গায় তিশা বসে আছে।
হাতে রিভলবারটি খুব শক্ত ভাবে আকড়ে ধরে আছে।
তোতলাতে তোতলাতে,
তি-তি-তিশা তুমিইইইই!!
.
- হু, তিশার কথা কি বলবো?
তিশা বোকা, খুব ভোলা মন। যা বুঝায় তাই বুঝে?
- না না তুই ভুল বুঝতেছিস তিশা।
আই ক্যান এক্সপ্লেইন দিছ।
- নো নিড। তোর মতো কালপ্রিট আমি আজ পর্যন্ত দেখিনি।
আর আমি সত্যিই বোকা যে নিজের আপন জনদের খুব সহজেই অবিশ্বাস করে বসি।
- তুই আবারো বর্ণের ফাঁদে পা দিয়ে দিলি?
গুলিটা সাব্বিরের দিকে তাক করে,
- চুপ আর একটা কথা না।
তুই এতো নিচ যে নিজের বাবাকে খুন করেছিস। সেদিন যদি আংকেলের কথাটা একটু শুনতাম তাহলে আজ এই দিন দেখতে হতো না৷
- কি করবো আমি বল?
বাবা সেদিন খুব রেগে গিয়েছিলো
বাবা টেবিলে রাখা ড্রাগের সেম্পলটি নিয়ে নষ্ট করে ফেলতে চেয়েছিলো যা আমার ব্যাবসার অনেক ক্ষতি করতো।
....
- উহু। আচ্ছা শোন আমার মাথায় একটা প্লেন এসেছে।
-কি??
...............................
সাব্বির তার মিনিকে কোলে নিয়ে বেসমেন্টে ঢুকলো।
মিনির গায়ে হাত বুলাতে বুলাতে সাব্বির এগিয়ে যায়
বর্ণকে যেখানে বেঁধে রাখা হয়েছিলো।
সে রুমে ঢুকতে ঢুকতে,
- আজকের দিনটাই খারাপ ২টা শেষ দুটো ফরমুলা ছিলো একটা তুই ভেঙ্গে ফেলেছিস।
এখন মাত্র আরেকটা আছে।
আর আজকের ডিলটাও হলো না।
সালা আমি আরো ভেবেছিলাম টাকা ছাড়ায় ডিলটা হয়ে যাবে কারণ একবার এখানে আসলে তো আমার মিনি সোনাটা তাদের ছাড়তো না।
এদিকে মিনি সাব্বিরের কানে মুখ লাগাচ্ছে।
......
যাক সমস্যা নেই বর্ণ।
তুই যতোদিন বেঁচে থাকবি ততোদিন আমার এমন ফরমুলা এর অভাব পড়বে না।
বর্ণের চেয়ারের দিকে চোখের পলক উঠাতে উঠাতে
.
.
আর তিশার কথাও কি বলবো?.....
চেয়ারের দিকে তাকাতেই সাব্বিরের চোখ কপালে উঠে যায়।
কারণ
বর্ণের জায়গায় তিশা বসে আছে।
হাতে রিভলবারটি খুব শক্ত ভাবে আকড়ে ধরে আছে।
তোতলাতে তোতলাতে,
তি-তি-তিশা তুমিইইইই!!
.
- হু, তিশার কথা কি বলবো?
তিশা বোকা, খুব ভোলা মন। যা বুঝায় তাই বুঝে?
- না না তুই ভুল বুঝতেছিস তিশা।
আই ক্যান এক্সপ্লেইন দিছ।
- নো নিড। তোর মতো কালপ্রিট আমি আজ পর্যন্ত দেখিনি।
আর আমি সত্যিই বোকা যে নিজের আপন জনদের খুব সহজেই অবিশ্বাস করে বসি।
- তুই আবারো বর্ণের ফাঁদে পা দিয়ে দিলি?
গুলিটা সাব্বিরের দিকে তাক করে,
- চুপ আর একটা কথা না।
তুই এতো নিচ যে নিজের বাবাকে খুন করেছিস। সেদিন যদি আংকেলের কথাটা একটু শুনতাম তাহলে আজ এই দিন দেখতে হতো না৷
- কি করবো আমি বল?
বাবা সেদিন খুব রেগে গিয়েছিলো
বাবা টেবিলে রাখা ড্রাগের সেম্পলটি নিয়ে নষ্ট করে ফেলতে চেয়েছিলো যা আমার ব্যাবসার অনেক ক্ষতি করতো।
....
আর মিনির সেদিন প্রথম ফরমুলা টেস্ট ছিলো।
বাবা মিনিকে দেখেই ভয়ে গুলি চালানো শুরু করে দেয় আর মিনি বাবার পিঠে আচড় বসিয়ে দেয় আর একটি কান ছিড়ে ফেলে।
তিশা রিভলবারটি দিয়ে নিজের চুলের ভেতর ঢুকিয়ে মাথা চুলকাতে চুলকাতে,
- ইশশ!! সেদিন আমার মাথায় এটা আসেনি। ঐ দিন রাতে মিনি সব গুলো মানুষের কান ছিড়ে খেয়ে ফেলেছিলো। তাহলে আমাকে কেনো ছেড়ে দিলো?
তোকেও কেনো না মেরে ছেড়ে দিলো?
- কারণ আমি সেটি হতে দেয়নি।
মিমি থেকে দেখে আমি বর্ণকে বলি মিনির জন্যে হুবুহু সেরকম একটি বেল্টটি বানিয়ে দিতে। যাতে ছবি কোন এক সময় ছবি দেখিয়ে তোকে বিশ্বাস করাতে পারি এটাই মিমি।
আর তাজ্জব বেপার হলো মিমি আর মিনি দেখতে একই।
মিনির গলার
বেল্টে ইলেকট্রনিক একটি ডিভাইস লাগানো আছে।
যেটা দিয়ে ইলেক্ট্রিক শর্ট মিনির শরীরে পাস হয় আর মিনি নরমাল হয়ে যায়।
আর তার রিমোট আমার কাছে।
- বেশ ভালোই তো প্লেন সাজিয়েছিস।
তা বর্ণ আর হুরাইরাকে কেনো এর মাঝে আনা হলো?
সাব্বির অট্ট হাসি দিয়ে মিনির কানে চুমু খেতে খেতে,
- আমি জানি তুই বসে থাকার পাত্রী না।
তাই বর্ণকে একটি ভালো কাজের অফার আছে বলে এখানে নিয়ে এসে আটকে রাখি।
আর বর্ণ খুব মেধাবী একজন সাইন্টিস্ট। যার মূল্য দুনিয়ার লোকে না বুঝলেও আমি উপলব্ধি করতে পেরেছি।
আর সেদিন হুরাইরা বাইরে থেকে এসেছিলো আর তার কোলে মিমিও ছিলো ঠিকই।
কিন্তু তার পায়ে কোন রক্ত ছিলো না।
আর তোকে বিছানায় শোয়ানোর সময় আমি তোর সাথে একটু....
তিশা চেচিয়ে,
- ছি সাব্বির।
- আরেহ রিলেক্স। কিছু করতে পারলাম কই তোর বোন হুরাইরা এসে ভেস্তে দিলো।
তাই কাহিনীতে একটু টুইস্ট আনতে হুরাইরা ঘুমিয়ে পড়ার পর তার রুমে সার্চ করি।
আর হুরাইরার ডায়েরিটা দেখে মাথায় আসে কিছু লিখা লিখি করা যাক।
আর তুই তো জানিসই ছোটবেলা থেকেই অন্যজনের লিখা কপি করাতে আমি কতটা এক্সপার্ট ছিলাম।
তিশা খুব রাগান্বিত চোখে সাব্বিরের দিকে তাকায়।
...........
এবার মিনিকে ওপরে তুলে নাকে নাক মিলিয়ে,
-আমি মাত্র যাচ্ছিছিলাম আমার মিনির হিংস্র রুপটা দেখতে।
আমার লোকেরা বলেছিলো বাবাকেও নাকি আচড় বসিয়ে দিয়েছে।
তখন তার গলায় কোন ডিভাইস ছিলো না দেখে কন্ট্রোলও করতে পারেনি।
কিন্তু বিশ্বাস কর আমি সে ছেলেটাকে মিনির দিয়েই মেরে ফেলি।
আমার বাবাকে মারার অধিকার শুধু আমার।
আর আমি প্রবেশ করার পূর্বেই কেনো ইঞ্জেকশন পুশ করে দেয়।
একদম দুটো কানই ছিড়ে খুব তৃপ্তি করে খেয়েছে আমার মিনি।
তাই না??
.
মিনিও সাড়া দেয় মিউ মিউ করে।
তিশা কিছু বলতে যাবে এসময় তিশাকে সাব্বির থামিয়ে আবার,
- উহু। বাবাকে আমি মারতে চাই-নি। কিন্তু কি করবো বল আমাকে কোন টাকাতেই ভাগ বসাতে দিচ্ছিলো না। অথচ তিনি মারা গেলে তার সব কিছু হবে আমার।
আর সেদিন মনে আছে বাবার হাতে পিস্তল ছিলো।
আর সেটিও উঠেছিলো আমার জন্যে,
- আর আমি ভেবেছিলাম আমাকে মারার জন্যে.......
- দেখ না কতটা ভালোবাসি তোকে?
নিজের বাবাকে খুন করে ফেলেছি কিন্তু তোকে একটা কিছু করিনি।
আর কাল রাতেও মিনির একটা আঁচড়ও তোর গায়ে লাহতে দেয়নি।
আমার মিনি বেচারাকে শক দিয়ে ছোট করে ফেলেছি।
তুই জানিস কত কষ্ট লাগে ওর।
- তুই তোর মিনি থেকেও হিংস্র।ও তো জানেনা তুই কি কি কাজে লিপ্ত আর কতোটা খারাপ। জানলে তোকেই আগে মারতো।
- আহ জান, কি করবো আমি বল।
সেদিন রাতে তো দেখলিই একটা গ্যাংস্টার কীভাবে আমার ব্যসবাতে হামলা চালিয়েছিলো। কিন্তু মিনি থাকাতে সবটা বেঁচে যায়।
এখনো সময় আছে দেখ যেরকম চলছে চলতে দে। তুই শুধু বর্ণকে ছেড়ে আমাকে বিয়ে কর।
তারপর আমি হবো আন্ডারগ্রাউন্ডের রাজা আর তুই রানী।
- রানী মাই ফুট
- ভেবে দেখ আমরা আসতে আসতে পুরো পৃথিবীতে রাজ করতে পারবো।
- তুই এই পৃথিবীতে কতদিন বেচে থাকিস সেটা দেখ এই বলে সাব্বিরের দিকে রিভলবারটি তাক করতেই সাব্বির সাথে সাথে মিনির পিঠে একটি ইঞ্জেকশন পুশ করে কোল থেকে নামিয়ে দেয়।
মিনি আসতে আসতে বড় হতে থাকে,
তিশা অনবরত গুলি বর্ষন করতে থাকে মিনির উপর কিন্তু কোন লাভ হলো না
মনে হলো যেনো যতই গুলি খাচ্ছে ততই মিনি আরো বড় আর হিংস্র হয়ে উঠছে।
ইয়া বড় বড় নখ দাত সেই হলুদ বর্ণের বিষাক্ত ভয়ানক দুটো চোখ।
তিশা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে।
সিড়ি রুমের পেছনে গিয়ে লুকিয়ে পড়ে।
পাশেই ছিলো মেইন সুইচ,
তার গুলো ছিড়ে ফেলে তিশা।
বেসমেন্ট ঘুটঘুটে অন্ধকার হয়ে পড়ে।
- ওহ মাই জান বেরিয়ে আসো তুমি যদি আমার না হও তাহলে বর্ণেরও না
বর্ণ? কিন্তু বর্ণ কোথায়।
ড্যাম শিট।
সাব্বির জোরে চিৎকার করে উঠে তোদের দুজনের কাওকেই আজ ছাড়বো না।
আমি জানি তুই কোথায় আছিস।
তিশা ছোখ জোড়া টিপে থাকে,
- শিট ভুল করে ফেলেছি মেইন সুইচ অফ হওয়া মানে আমি মেইন সুইচের এদিকে আছি সেটাতো বুঝেই যাবে।
এটি ভাবতেই বেসমেন্টেের দরজার সুইচটি চোখে পড়ে তার।
আর দেরী না করে সুইচটি চাপতেই গড় গড় শব্দ করে দরজাটি খুলে যেতে লাগলো।
একটু দূর থেকে সাব্বির আর মিনি দাড়িতে আছে।
সাব্বির মিনির পায়ে হাত বুলিয়ে,
কান দুটো খেলে হবে না মিনি। পুরোটা শেষ করতে হবে আজ তোর।
বাবা মিনিকে দেখেই ভয়ে গুলি চালানো শুরু করে দেয় আর মিনি বাবার পিঠে আচড় বসিয়ে দেয় আর একটি কান ছিড়ে ফেলে।
তিশা রিভলবারটি দিয়ে নিজের চুলের ভেতর ঢুকিয়ে মাথা চুলকাতে চুলকাতে,
- ইশশ!! সেদিন আমার মাথায় এটা আসেনি। ঐ দিন রাতে মিনি সব গুলো মানুষের কান ছিড়ে খেয়ে ফেলেছিলো। তাহলে আমাকে কেনো ছেড়ে দিলো?
তোকেও কেনো না মেরে ছেড়ে দিলো?
- কারণ আমি সেটি হতে দেয়নি।
মিমি থেকে দেখে আমি বর্ণকে বলি মিনির জন্যে হুবুহু সেরকম একটি বেল্টটি বানিয়ে দিতে। যাতে ছবি কোন এক সময় ছবি দেখিয়ে তোকে বিশ্বাস করাতে পারি এটাই মিমি।
আর তাজ্জব বেপার হলো মিমি আর মিনি দেখতে একই।
মিনির গলার
বেল্টে ইলেকট্রনিক একটি ডিভাইস লাগানো আছে।
যেটা দিয়ে ইলেক্ট্রিক শর্ট মিনির শরীরে পাস হয় আর মিনি নরমাল হয়ে যায়।
আর তার রিমোট আমার কাছে।
- বেশ ভালোই তো প্লেন সাজিয়েছিস।
তা বর্ণ আর হুরাইরাকে কেনো এর মাঝে আনা হলো?
সাব্বির অট্ট হাসি দিয়ে মিনির কানে চুমু খেতে খেতে,
- আমি জানি তুই বসে থাকার পাত্রী না।
তাই বর্ণকে একটি ভালো কাজের অফার আছে বলে এখানে নিয়ে এসে আটকে রাখি।
আর বর্ণ খুব মেধাবী একজন সাইন্টিস্ট। যার মূল্য দুনিয়ার লোকে না বুঝলেও আমি উপলব্ধি করতে পেরেছি।
আর সেদিন হুরাইরা বাইরে থেকে এসেছিলো আর তার কোলে মিমিও ছিলো ঠিকই।
কিন্তু তার পায়ে কোন রক্ত ছিলো না।
আর তোকে বিছানায় শোয়ানোর সময় আমি তোর সাথে একটু....
তিশা চেচিয়ে,
- ছি সাব্বির।
- আরেহ রিলেক্স। কিছু করতে পারলাম কই তোর বোন হুরাইরা এসে ভেস্তে দিলো।
তাই কাহিনীতে একটু টুইস্ট আনতে হুরাইরা ঘুমিয়ে পড়ার পর তার রুমে সার্চ করি।
আর হুরাইরার ডায়েরিটা দেখে মাথায় আসে কিছু লিখা লিখি করা যাক।
আর তুই তো জানিসই ছোটবেলা থেকেই অন্যজনের লিখা কপি করাতে আমি কতটা এক্সপার্ট ছিলাম।
তিশা খুব রাগান্বিত চোখে সাব্বিরের দিকে তাকায়।
...........
এবার মিনিকে ওপরে তুলে নাকে নাক মিলিয়ে,
-আমি মাত্র যাচ্ছিছিলাম আমার মিনির হিংস্র রুপটা দেখতে।
আমার লোকেরা বলেছিলো বাবাকেও নাকি আচড় বসিয়ে দিয়েছে।
তখন তার গলায় কোন ডিভাইস ছিলো না দেখে কন্ট্রোলও করতে পারেনি।
কিন্তু বিশ্বাস কর আমি সে ছেলেটাকে মিনির দিয়েই মেরে ফেলি।
আমার বাবাকে মারার অধিকার শুধু আমার।
আর আমি প্রবেশ করার পূর্বেই কেনো ইঞ্জেকশন পুশ করে দেয়।
একদম দুটো কানই ছিড়ে খুব তৃপ্তি করে খেয়েছে আমার মিনি।
তাই না??
.
মিনিও সাড়া দেয় মিউ মিউ করে।
তিশা কিছু বলতে যাবে এসময় তিশাকে সাব্বির থামিয়ে আবার,
- উহু। বাবাকে আমি মারতে চাই-নি। কিন্তু কি করবো বল আমাকে কোন টাকাতেই ভাগ বসাতে দিচ্ছিলো না। অথচ তিনি মারা গেলে তার সব কিছু হবে আমার।
আর সেদিন মনে আছে বাবার হাতে পিস্তল ছিলো।
আর সেটিও উঠেছিলো আমার জন্যে,
- আর আমি ভেবেছিলাম আমাকে মারার জন্যে.......
- দেখ না কতটা ভালোবাসি তোকে?
নিজের বাবাকে খুন করে ফেলেছি কিন্তু তোকে একটা কিছু করিনি।
আর কাল রাতেও মিনির একটা আঁচড়ও তোর গায়ে লাহতে দেয়নি।
আমার মিনি বেচারাকে শক দিয়ে ছোট করে ফেলেছি।
তুই জানিস কত কষ্ট লাগে ওর।
- তুই তোর মিনি থেকেও হিংস্র।ও তো জানেনা তুই কি কি কাজে লিপ্ত আর কতোটা খারাপ। জানলে তোকেই আগে মারতো।
- আহ জান, কি করবো আমি বল।
সেদিন রাতে তো দেখলিই একটা গ্যাংস্টার কীভাবে আমার ব্যসবাতে হামলা চালিয়েছিলো। কিন্তু মিনি থাকাতে সবটা বেঁচে যায়।
এখনো সময় আছে দেখ যেরকম চলছে চলতে দে। তুই শুধু বর্ণকে ছেড়ে আমাকে বিয়ে কর।
তারপর আমি হবো আন্ডারগ্রাউন্ডের রাজা আর তুই রানী।
- রানী মাই ফুট
- ভেবে দেখ আমরা আসতে আসতে পুরো পৃথিবীতে রাজ করতে পারবো।
- তুই এই পৃথিবীতে কতদিন বেচে থাকিস সেটা দেখ এই বলে সাব্বিরের দিকে রিভলবারটি তাক করতেই সাব্বির সাথে সাথে মিনির পিঠে একটি ইঞ্জেকশন পুশ করে কোল থেকে নামিয়ে দেয়।
মিনি আসতে আসতে বড় হতে থাকে,
তিশা অনবরত গুলি বর্ষন করতে থাকে মিনির উপর কিন্তু কোন লাভ হলো না
মনে হলো যেনো যতই গুলি খাচ্ছে ততই মিনি আরো বড় আর হিংস্র হয়ে উঠছে।
ইয়া বড় বড় নখ দাত সেই হলুদ বর্ণের বিষাক্ত ভয়ানক দুটো চোখ।
তিশা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে।
সিড়ি রুমের পেছনে গিয়ে লুকিয়ে পড়ে।
পাশেই ছিলো মেইন সুইচ,
তার গুলো ছিড়ে ফেলে তিশা।
বেসমেন্ট ঘুটঘুটে অন্ধকার হয়ে পড়ে।
- ওহ মাই জান বেরিয়ে আসো তুমি যদি আমার না হও তাহলে বর্ণেরও না
বর্ণ? কিন্তু বর্ণ কোথায়।
ড্যাম শিট।
সাব্বির জোরে চিৎকার করে উঠে তোদের দুজনের কাওকেই আজ ছাড়বো না।
আমি জানি তুই কোথায় আছিস।
তিশা ছোখ জোড়া টিপে থাকে,
- শিট ভুল করে ফেলেছি মেইন সুইচ অফ হওয়া মানে আমি মেইন সুইচের এদিকে আছি সেটাতো বুঝেই যাবে।
এটি ভাবতেই বেসমেন্টেের দরজার সুইচটি চোখে পড়ে তার।
আর দেরী না করে সুইচটি চাপতেই গড় গড় শব্দ করে দরজাটি খুলে যেতে লাগলো।
একটু দূর থেকে সাব্বির আর মিনি দাড়িতে আছে।
সাব্বির মিনির পায়ে হাত বুলিয়ে,
কান দুটো খেলে হবে না মিনি। পুরোটা শেষ করতে হবে আজ তোর।
তিশা ততক্ষণে বেরিয়ে আসলো।
কিন্তু মিনির বিশাল দেহের এক লাফেই বেসমেন্টের সিড়ির ধারে পৌছে যায় তারপর আরেক লাফ দিতেই সব কিছু ভেঙ্গে সেও বেরিয়ে আসে।
তিশা গোডাউন থেকে বেরিয়ে দৌড়াতে থাকলো আর মিনি একটু নিচু হয়ে এমন ঝাপ দিলো ঠিক বরাবর তিশার একটু পেছনে এসে নামলো।
মিনির শরীরের ভারে খুব জোরে মাটি কেপে উঠলো আর তিশা ব্যালেন্স ঠিক রাখতে না পেরে পড়ে গেলো।
তিশা মাটিতে মুখ নিচু করে বসে রইলো।
মিনির ঘন বিস্রি গন্ধ শ্বাস তিশার গায়ের উপর এসে পড়ছিলো।
তিশা বোমি করে দিলো।
সাব্বিরও চলে আসলো ততক্ষণে,
- আহা মিনি একটু পিছে এসে বসো। আমার তিশার যে সহ্য হচ্ছে না।
তিশা সাব্বিরের মুখে থু থু ছুড়ে মারে।
সাব্বির রেগে গিয়ে মিনি তিশাকে খুব যত্ন সহকারে চিবোবি।
যাতে প্রাণ যায় যায় অবস্থা কিন্তু যাবে না।
বেশ বাড় বেরেছে দেখছি
উলটো মুখ করে ফিরে ফিনিশ হার....
এমন সময় খুব মাটিতে আবারো একটা কাপুনি দিয়ে উঠে,
- ওহ মিনি খুশিতে লাফাতে হবে না,
এই বলে যখন সাব্বির পেছিনে তাকায় তখন দেখে মিনি খানিকটা দূরে গিয়ে আছড়ে পরে।
সাব্বির একটু দূরে সরে এসে মাটিতে বসে যায়।
এ কি দেখতে সে???
না এ কিছুতেই সম্ভব না।
বর্ণ মিমিকে মিনির মতো বানিয়ে দিয়েছে।
- না না এতো অল্প সময়ে এটা কেমনে সম্ভব??
বর্ণ- সাব্বির তোর খেলা শেষ।
মনে করে দেখ আমি তোকে বলেছিলাম ভুলে একটি বোতল পড়ে ভেঙ্গে গিয়েছিলো?
আসলে সেটি ভাঙ্গেনি।
আমিই অন্য একটি বোতলে এমনি নরমাল কেমিক্যাল রেখে বোতলটি মাটিতে ফেলে দিয়েছিলাম আর ফরমুলাটি লুকিয়ে রেখেছিলাম
তিশা সাথে সাথে বর্ণকে জড়িয়ে ধরে।
পেছনে থাকা হুরাইরার হাত ধরে তিশার হাতে রেখে বলে তুমি হুরাইরাকে ভুল বুঝেছো।
- হুম আমাকে ক্ষমা কে দে হুর।
- এভাবে বলো না আপু। আমারও তোমার কাছে ব্যাপার লুকানো উচিত হয়নি।
- কি ব্যাপার?
বর্ণ- আমাদের হুর প্রেমে পড়েছে।
নাম ইব্রাহিম।
- কিই???
- হ্যাঁ আপু। যেদিন রাতে তুমি আর সাব্বির বলেছিলে রাতে বের হবে আমি সেদিম আড়াল থেকে শুনছিলাম।কারণ তোমরা বেরোলেই আমরা দেখা করার প্লেন করি।
- আচ্ছা বেশি পেঁকে গেছিস না?
তাহ সেদিন তুই বর্ণের ল্যাবে কি করছিলি?
- ভাইয়া আমাকে একটি লাল ট্যাবলেট দেয় মিমিকে খাওয়ানোর জন্যে।
কিন্তু আমি সেটা হারিয়ে ফেলি।
.
আর সেদিন আমার ইব্রাহিমের সাথেও ঝগড়া হওয়ার কারণে ঘুম আসছিলো না তাই যখন হাটতে যায় তখন ভাইয়ার ল্যাব খোলা দেখে আমার মিমির ঔষুধের কথা মনে পড়ে।
তাই সেখানে গিয়ে দেখি এরকম আরো ঔষুধ আছে না কি?
তিশা এবার নিজের সব ভুল বুঝতে পারে,
সাব্বির এদিকে মিনির পিঠে উঠে পালাতে ব্যস্ত।
তিশা- বর্ণ আটকাও ওকে।
বর্ণ দেখতে পায় সাব্বির যেখানে পড়ে গিয়েছিলো সেখামে রিমোটটি।
দৌড়ে গিয়ে রিমোটটি নিয়ে প্রেস করতেই সাব্বির সহ কারেন্টের শক খেয়ে আছড়ে পড়ে মিনির কোল থেকে মিনি নরমাল হয়ে আসে আর অজ্ঞান সাব্বিরের কানের কাছে গিয়ে কান চাটতে থাকে।
তখন তিশা বর্ণ হুরাইরা এক সাথে হেসে উঠে আর মিমিও মিউউউ বলে জোরে ডেকে উঠে।
.
.............সমাপ্তি................
কিন্তু মিনির বিশাল দেহের এক লাফেই বেসমেন্টের সিড়ির ধারে পৌছে যায় তারপর আরেক লাফ দিতেই সব কিছু ভেঙ্গে সেও বেরিয়ে আসে।
তিশা গোডাউন থেকে বেরিয়ে দৌড়াতে থাকলো আর মিনি একটু নিচু হয়ে এমন ঝাপ দিলো ঠিক বরাবর তিশার একটু পেছনে এসে নামলো।
মিনির শরীরের ভারে খুব জোরে মাটি কেপে উঠলো আর তিশা ব্যালেন্স ঠিক রাখতে না পেরে পড়ে গেলো।
তিশা মাটিতে মুখ নিচু করে বসে রইলো।
মিনির ঘন বিস্রি গন্ধ শ্বাস তিশার গায়ের উপর এসে পড়ছিলো।
তিশা বোমি করে দিলো।
সাব্বিরও চলে আসলো ততক্ষণে,
- আহা মিনি একটু পিছে এসে বসো। আমার তিশার যে সহ্য হচ্ছে না।
তিশা সাব্বিরের মুখে থু থু ছুড়ে মারে।
সাব্বির রেগে গিয়ে মিনি তিশাকে খুব যত্ন সহকারে চিবোবি।
যাতে প্রাণ যায় যায় অবস্থা কিন্তু যাবে না।
বেশ বাড় বেরেছে দেখছি
উলটো মুখ করে ফিরে ফিনিশ হার....
এমন সময় খুব মাটিতে আবারো একটা কাপুনি দিয়ে উঠে,
- ওহ মিনি খুশিতে লাফাতে হবে না,
এই বলে যখন সাব্বির পেছিনে তাকায় তখন দেখে মিনি খানিকটা দূরে গিয়ে আছড়ে পরে।
সাব্বির একটু দূরে সরে এসে মাটিতে বসে যায়।
এ কি দেখতে সে???
না এ কিছুতেই সম্ভব না।
বর্ণ মিমিকে মিনির মতো বানিয়ে দিয়েছে।
- না না এতো অল্প সময়ে এটা কেমনে সম্ভব??
বর্ণ- সাব্বির তোর খেলা শেষ।
মনে করে দেখ আমি তোকে বলেছিলাম ভুলে একটি বোতল পড়ে ভেঙ্গে গিয়েছিলো?
আসলে সেটি ভাঙ্গেনি।
আমিই অন্য একটি বোতলে এমনি নরমাল কেমিক্যাল রেখে বোতলটি মাটিতে ফেলে দিয়েছিলাম আর ফরমুলাটি লুকিয়ে রেখেছিলাম
তিশা সাথে সাথে বর্ণকে জড়িয়ে ধরে।
পেছনে থাকা হুরাইরার হাত ধরে তিশার হাতে রেখে বলে তুমি হুরাইরাকে ভুল বুঝেছো।
- হুম আমাকে ক্ষমা কে দে হুর।
- এভাবে বলো না আপু। আমারও তোমার কাছে ব্যাপার লুকানো উচিত হয়নি।
- কি ব্যাপার?
বর্ণ- আমাদের হুর প্রেমে পড়েছে।
নাম ইব্রাহিম।
- কিই???
- হ্যাঁ আপু। যেদিন রাতে তুমি আর সাব্বির বলেছিলে রাতে বের হবে আমি সেদিম আড়াল থেকে শুনছিলাম।কারণ তোমরা বেরোলেই আমরা দেখা করার প্লেন করি।
- আচ্ছা বেশি পেঁকে গেছিস না?
তাহ সেদিন তুই বর্ণের ল্যাবে কি করছিলি?
- ভাইয়া আমাকে একটি লাল ট্যাবলেট দেয় মিমিকে খাওয়ানোর জন্যে।
কিন্তু আমি সেটা হারিয়ে ফেলি।
.
আর সেদিন আমার ইব্রাহিমের সাথেও ঝগড়া হওয়ার কারণে ঘুম আসছিলো না তাই যখন হাটতে যায় তখন ভাইয়ার ল্যাব খোলা দেখে আমার মিমির ঔষুধের কথা মনে পড়ে।
তাই সেখানে গিয়ে দেখি এরকম আরো ঔষুধ আছে না কি?
তিশা এবার নিজের সব ভুল বুঝতে পারে,
সাব্বির এদিকে মিনির পিঠে উঠে পালাতে ব্যস্ত।
তিশা- বর্ণ আটকাও ওকে।
বর্ণ দেখতে পায় সাব্বির যেখানে পড়ে গিয়েছিলো সেখামে রিমোটটি।
দৌড়ে গিয়ে রিমোটটি নিয়ে প্রেস করতেই সাব্বির সহ কারেন্টের শক খেয়ে আছড়ে পড়ে মিনির কোল থেকে মিনি নরমাল হয়ে আসে আর অজ্ঞান সাব্বিরের কানের কাছে গিয়ে কান চাটতে থাকে।
তখন তিশা বর্ণ হুরাইরা এক সাথে হেসে উঠে আর মিমিও মিউউউ বলে জোরে ডেকে উঠে।
.
.............সমাপ্তি................

Comments
Post a Comment