বান্ধবী - সাজি আফরোজ (পর্ব ৫)


-আচ্ছা আপনি আমাকে তুমি করে কেনো বলেন না?
.
মেসেজটি ঝুমু সেজে ইমরুলের কাছে পাঠালো মুনিয়া।
.
ইমরুল রিপ্লাই করলো-
মুনিয়াকে বলি বলে বলছেন?
-হু।
-মুনিয়া আমায় তুমি করে বলতে বলেছে। আপনি কিন্তু বলেননি।
-ব্যাপার যদি সেটা হয় তাহলে আজ বলছি, তুমি করেই বলুন আমাকেও।
-সিরিয়াসলি?
-মজা করছি কেনো মনে হচ্ছে?
-হঠাৎ তো!
-স্পেশাল সব কিছু হঠাৎই ঘটে।
-মন্দ বলেননি!
-আবার আপনি!
-উহু! মন্দ বলোনি।
-এখন ঠিক আছে।
-এবার আমি একটা আবদার করি?
-জ্বী।
-আমাকেও তুমি করেই বললে খুশি হতাম।
-আপনি আমার বয়সে বড় হবেন।
-বুড়ো তো নয়!
- বলবো।
.
ইমরুলের সাথে ঝুমু সেজে চ্যাট করে চলেছে মুনিয়া। সে চায়, ইমরুল ঝুমুর প্রেমে পড়ুক। সে যে ভালোবাসে ইমরুলকে!
.
.
অনেকক্ষণ যাবৎ মোবাইল হাতে নিয়ে বসে আছে ঝুমু। মুনিয়া সেজে বেশকিছুদিন চ্যাট করেছে সে ইমরুলের সাথে। তবে ঘুরেফিরে একই কথা! কেমন আছো, কি করছো, কি খেয়েছো? এসব কথা বলতে থাকলে মুনিয়ার প্রতি ইমরুলের কোনো অনুভূতি আছে কিনা বুঝবে কি করে সে! তবে কি জিজ্ঞাসা করেই ফেলবে ইমরুলকে?
.
মনে সাহস এনে ঝুমু টাইপ করলো-
আপনি কাউকে ভালোবাসেন না?
.
ঝুমুর সাথে চ্যাটে ব্যস্ত ছিলো ইমরুল। মাঝখানে মুনিয়ার এই মেসেজটাই একটু অবাকই হলো সে! সেই প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে রিপ্লাই করলো-
হঠাৎ এই প্রশ্ন কেনো?
-জানতে ইচ্ছে হলো।
.
একটু সময় নিয়ে ভেবে ইমরুল লিখলো-
হ্যাঁ বাসি।
-সে কি জানে?
-না।
-বলা যাবে কে?
-এতো তাড়া কিসের?
-আগ্রহ বলতে পারেন।
-সময় হলে বলবো।
-আমাকে না বললেও তাকে বলে দিন। হয়তো সেও অপেক্ষা করছে আপনার জন্য!
.
মুনিয়ার এই মেসেজটি পেয়ে হকচকিয়ে উঠলো ইমরুল। তবে কি মুনিয়া কিছু ইঙ্গিত করছে? ঝুমুর জন্য কি সে...
আর কিছু না ভেবে ইমরুল তাড়াহুড়ো করে লিখলো-
এমনটা হলে আমার চেয়ে বেশি খুশি কেউ হবেনা!
-আমি হবো। ভালোবাসার মানুষটাকে মনের কথা জানিয়ে দেয়াই শ্রেয়।
.
একটু পরে ইমরুল রিপ্লাই করলো-
ভালোবাসার মানুষটাকে মনের কথা জানাবো কিভাবে?
-সে সেভাবে খুশি হয়।
.
ইমরুল ভালোভাবেই জানে তার ভালোবাসার মানুষ কিসে খুশি! এক বান্ধবী অন্য বান্ধবী কে ছাড়া যে কিছুই বুঝেনা।
.
ইমরুল ঝুমু ও মুনিয়াকে একই সাথে মেসেজ করলো-
আজ কি তোমরা আমার সাথে দেখা করতে পারবে? একটা কথা বলার আছে। আমার মনের কথা!
.
.
ঝুমু ও মুনিয়া একে অপরকে সাজাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।
মুনিয়া বলছে-
ঝুমু, আমার মনেহয় তোর নীল রঙের শাড়ি পরা উচিত। সিনেমাতে দেখিস না? ইমপ্রেস করতে নীল রঙের শাড়ি পরে মেয়েরা।
-আমার মনেহয় তোর পরা উচিত। কারণ আজ ইমরুল প্রপোজ করবে তোকে।
-মোটেও না। ইমরুল প্রপোজ করবে তোকে।
-বাজি?
-যদি হেরে যাস কি দিবি?
-বল কি চায়?
-ইমরুলকে।
.
দুজন দুজনের মুখের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে হেসে উঠলো উচ্চ শব্দে। কতোক্ষণ এই হাসি স্থায়ী থাকবে জানেনা তারা। এই বন্ধনে যেনো কোনো ফাঁটল সৃষ্টি না হয়!
.
.
সেই বড় মাঠ টাই দাঁড়িয়ে আছে ইমরুল। এখানেই তার প্রিয়তমার সাথে প্রথম দেখা হয়েছিলো। আর আজ এখানে দাঁড়িয়েই মনের কথা জানাবে তাকে। সে কি ভালোবাসে ইমরুলকে?
.
-চলে এসেছেন!
.
মুনিয়ার ডাকে পেছনে তাকালো ইমরুল। মুনিয়া ও ঝুমু একই রকমের পোশাকে এসেছে।
ইমরুল বললো-
ভারী মিষ্টি লাগছে।
.
মুনিয়া বললো-
কাকে?
-দুজনকেই।
-ধন্যবাদ। এবার বলুন কেনো ডেকেছেন?
-মুনিয়া তখন একটা কথা তুমি ঠিক বলেছো, যাকে ভালোবাসি তাকে জানিয়ে দেয়াই শ্রেয়।
-আমি কখন এটা বললাম?
-বলেছিলে।
.
ঝুমু ইশারা দিতেই মুনিয়া বুঝলো, কথাটি সে বলেছে!
তাই মুনিয়া বললো-
ও হ্যাঁ! মনে পড়েছে।
-তাই আজ ডাকলাম তোমাদের।
আসলে আমার ভালোবাসার মানুষ তোমাদের মাঝেই একজন। যাকে ভালোবাসি তাকেই ডাকতে পারতাম কিন্তু এতে সে খুশি হতোনা। তাই...
-কাকে ভালোবাসেন?
.
মুনিয়ার এমন প্রশ্নে অপ্রস্তুত হলোনা ইমরুল। সে সব প্রস্তুতি নিয়েই এসেছে। তাই আর কথা না বাড়িয়ে জবাব দিলো-
ঝুমুকে।
.
কথাটি শুনে মুনিয়ার মুখে হাসি ফুটলেও ঝুমুর চোখের কোণে পানি চলে এলো। তার ভালোবাসার মানুষটা তাকে ভালোবাসে! এটা জানার পর যেকোনো মেয়েই খুশি হবার কথা তবে সে কেনো খুশি হতে পারলোনা? সে মন থেকেই চেয়েছিলো মুনিয়ার নামটাই ইমরুল বলুক। মুনিয়ার মন ভেঙ্গে নতুন সম্পর্কে জড়াতে পারেনা সে!
ঝুমু চোখের পানি মুছে নিলো। সে কিছু বলতে যাবে ঠিক তখনি ইমরুল তার পাশে এসে বললো-
প্লিজ তুমি যা বলার পরে বলো। আমি কিছু বলতে চাই।
.
মুনিয়া বলে উঠলো-
হ্যাঁ আপনিই আগে বলুন। ভালোভাবে প্রপোজ করুন আমার বনুকে।
.
ইমরুল মৃদু হেসে ঝুমুর উদ্দেশ্যে বললো-
আধো আলো, আধো ছায়ার মাঝেও প্রথম দেখেই ভালো লেগেছিলো তোমাকে। আমি আমাদের প্রথম দেখার কথা বলছি ঝুমু। তাই নিজের ছাতাটা দিয়েছিলাম তোমাকে। যাতে সেই বাহানায় আবার কথা বলা যায়। এতো সহজে যে তুমি ফোন নাম্বার দিবে আমি ভাবিনি!
.
ইমরুলের কথা শুনে মুনিয়া ধীরপায়ে পেছনের দিকে যেতে লাগলো। আজকের দিনটা তাদেরই দিন। এই দিনটা নাহয় তারাই উপভোগ করুক। কিন্তু ইমরুলের শেষের কথাটি শুনে নিজের জায়গায় দাঁড়িয়ে পড়লো মুনিয়া।
ইমরুল বললো-
আমি তোমার প্রতি যা ফিল করি এটা শুধু ভালোলাগা নয়, ভালোবাসা। এটা কখন বুঝেছি জানো? যখন তোমার সাথে চ্যাটে আসক্ত হয়ে পড়ি। শুরুতে হাই হ্যালো হলেও ধীরেধীরে আমাদের চ্যাট বাড়তে থাকে। এতো ভালো লাগে তোমার সাথে চ্যাট করে কি বলবো! বিয়ের পরেও আমরা চ্যাট করবো। এতেই বেশি ভালোলাগে। চ্যাটের মেয়েটিকেই মনেহয় ভালো বেশি বাসি আমি।
.
ইমরুলের কথা শুনে মুনিয়া বললো-
চ্যাটের মেয়েটি মানে! আপনি তো ঝুমুকে ভালোবাসেন তাইনা? যাকে প্রথম দেখাতেই ভালো লেগেছে আপনার?
-হ্যাঁ।
.
ঝুমু বললো-
কিন্তু তুমি চ্যাট করেই প্রেমে পড়েছো। তাইতো?
-হ্যাঁ।
.
ঝুমুর উদ্দেশ্যে মুনিয়া বলে উঠলো-
ও তোকেই ভালোবাসে।
-কি করে! ও চ্যাট করে প্রেমে পড়েছে! তার মানে চ্যাটের মেয়েটিকেই।
-আরে তুই বুঝতে পারছিস না...
.
তাদের কথা বুঝতে না পেরে ইমরুল বললো-
আরে বাবা আমি একজনকেই ভালোবাসি। সে হোক প্রথম দেখার সেই মেয়ে বা চ্যাট করা মেয়েটি। সেতো একজনই, তাইনা?
.
ইমরুলের পাশে এসে গম্ভীর গলায় মুনিয়া বললো-
এটা কি করে হয়! ক্লিয়ার করে ঝুমুকে বলুন, আপনি শুধু ওকেই ভালোবাসেন। চ্যাট ফ্যাট বাদ।
.
ঝুমুও গলার স্বর কর্কশ করে বললো-
তুমি যার সাথে শুরু থেকে চ্যাট করতে তাকেই ভালোবাসো, এটা বলো ইমরুল।
.
ইমরুল কি বলবে বুঝে উঠতে পারছেনা। তাদের এমন ব্যবহারের কারণও অজানা তার।
মুনিয়া ও ঝুমু একসাথে বলে উঠলো-
কি হলো চুপ কেনো!
.
ইমরুল এক নাগাড়ে বললো-
প্রথম দেখা বলো, চ্যাট বলো দুজনকেই ভালোবাসি আমি!
.
মুনিয়া রাগে ফোসফাস করতে করতে বললো-
লুচ্চা কোথাকার! দুজনকেই ভালোবাসি মানে? লজ্জা করছেনা এসব বলতে?
.
ঝুমুর দিকে তাকিয়ে ইমরুল বললো-
ঝুমু কি বলছে মুনিয়া? ও আমাকে লুচ্চা বললো কেনো! দুজন মানে কি! আমি তো একজনকেই ভালোবাসি। দুজন তো তোমাদের কথা শুনেই...
-মুনিয়া ঠিকই বলছে। একটা মানুষ দুজনকে কি করে ভালোবাসতে পারে!
-তোমরা কিন্তু আমাকে অহেতুক অপমান করছো! আর ঝুমু তুমি! তুমিও আমাকে ভালোবাসো এটা বুঝতে পেরেই কিন্তু মনের কথা জানাতে এসেছি। যদিও চ্যাটেই জানাতে চেয়েছিলাম কিন্তু আজ...
.
ইমরুলকে কিছু বলতে না দিয়ে দুই বান্ধবী একসাথেই বললো-
যে ছেলে কাকে ভালোবাসে এটাই বুঝতে পারেনা, সে ছেলের সাথে আমরা কোনো সম্পর্কই রাখতে চাইনা।
.
কথাটি বলেই দুই বন্ধবী হনহনিয়ে এগিয়ে যেতে থাকলো সামনের দিকে। ইমরুল নামক মানুষটির দিকে ফিরেও তাকাতে চায়না তারা।
কিছুদূর যাবার পর ঝুমুর উদ্দেশ্যে মুনিয়া বললো-
ও কিন্তু তোকেই ভালোবাসে। বললো তো প্রথম দেখাতে ভালো লেগেছে।
-বিয়ের পরেও চ্যাট করতে চায়। তার মানে কি বুঝছিস না? তোকে বাসে।
.
দুজনে নীরবতা পালন করলো কিছুক্ষণ।
ঝুমু হেসে উঠলে মুনিয়াও তার হাসি দেখে হেসে ফেললো।
হাসতে হাসতেই ঝুমু বললো-
এই কেমন ছেলেকে ভালোবাসলাম রে দুজনে! যে কিনা বুঝতেই পারলোনা চ্যাট করা মেয়েটি আমি নয়! ভালোবাসা তো মন থেকে হয়। সে নাকি দুজনকেই ভালোবাসে!
.
মুনিয়া বললো-
বেচারা! জানলোও না কেনো রিজেক্ট হয়েছে সে।
.
হঠাৎ থেমে গেলো ঝুমু। মুনিয়া বললো-
থেমে গেলি যে?
-তার সাথেও কিন্তু আমরা অন্যায় করেছি৷ এটা অস্বীকার করা যাবেনা।
-হ্যাঁ রে৷ আচ্ছা! সে যদি সত্যটা জানতো মানে তাকে আমরা সত্যিটা বলার পর কাকে ভালোবাসে বলতো সে? প্রথম দেখার ঝুমু নাকি চ্যাট করা প্রেমে পড়া মুনিয়া?
.
আবারো হেসে উঠলো মুনিয়া ও ঝুমু।
তারা চায়লেই ইমরুলকে সবটা জানাতে পারাতো। তারপরে নাহয় ইমরুল তার সিদ্ধান্ত জানাতো। কিন্তু তারা এমনটা করেনি। কেননা তারা চায়নি, নিজের খুশির জন্য অন্যজনকে কষ্ট দিতে।
.
আবারো হাঁটতে লাগলো দুজনে। মুনিয়া নরম স্বরে বললো-
তোর কষ্ট হচ্ছেনা ইমরুলের জন্য?
-মোটেও না! হয়তো তাকে আমি ভালোই বাসতাম না! সেইজন্যই তাকে হারানোর ভয় করিনি। তোর কি কষ্ট হচ্ছে?
-উহু! আমিও হয়তো বাসিনি৷ তাই বোধহয় চেয়েছি তোকে দিয়ে দিতে। বাসলে হয়তো এমনটা চাইতাম না।
.
ভ্রু জোড়া কুচকে মুনিয়ার দিকে ঝুমু তাকাতেই তাকে জড়িয়ে ধরে মুনিয়া বললো-
মজা করলাম! ওই এক পোলারে নিয়া মনোমালিন্য করার কি দরকার? পোলার কি অভাব পড়ছে জগতে? আমরা দুই বন্ধু বা দুই ভাই হয় এমন কারো সাথেই লাইন মারবো। মানে দুজন দুইটকে বেছে নিবো। কি বলিস?
.
ঝুমু কিছু বলার আগেই পেছন থেকে কেউ একজন বললো-
শুনছেন?
.
পেছনে তাকাতেই মুনিয়ার চোখ কপালে উঠে গেলো। এই ছেলেতো ইমরুলের মতোই সুন্দর। আজকাল এতো সুন্দর ছেলে তাদের এলাকাই কেনো আসছে!
.
ঝুমু বললো-
জ্বী বলুন?
.
ঝুমুর কথা শুনে ঘোর কাটলো মুনিয়ার। তার হাত ধরে টেনে সামান্য দূরে এসে বললো-
আবারো এক ছেলের পাল্লায় পড়ে যাবো। চল এখান থেকে।
.
পেছন থেকে ছেলেটি বললো-
সরি বিরক্ত করার জন্য। আসলে আমি আর আমার ভাই এই এলাকায় নতুন এসেছি। আমার চাচা নতুন বাড়ি করেছেন এখানে। ইশরাক আহসানের বাড়িটা কোথায় বলতে পারেন?
.
ঝুমু ও মুনিয়া খেয়াল করলো আরেকটি ছেলে পেছন থেকে এগিয়ে এসেছে। দুজনের চেহারার অনেকটাই মিল দেখে মুনিয়া জিজ্ঞাসা করলো-
আপনারা কি ভাই?
.
একজন জবাব দিলো-
জ্বী। আমি আকাশ আর ও আমার ভাই আকিব।
.
ঝুমু ও মুনিয়া দুজনকে তাদের চাচার বাসা কোনদিকে দেখিয়ে দিলো।
তাদের উদ্দেশ্যে আকাশ বললো-
ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করবোনা। একই এলাকায় যখন আছি একদিন কফি খাইয়ে দিবো। চলবে?
.
মুনিয়া হাসিমুখে বললো-
দৌড়বে।
.
আকাশ ও আকিব এগিয়ে যাওয়ার পর ঝুমুর দিকে তাকিয়ে মুনিয়া বললো-
আচ্ছা ঝুমু? আমাদের মধ্যে কে বড়?
-আমি তোর প্রায় তিনমাসের বড়। এটা তো তুই জানিসই।
-হু।
-কোন মতলবে জিজ্ঞাসা করেছিস?
-না মানে ওই দুই ভাই এর মাঝে যে বড় সে তোর, যে ছোট সে আমার।
.
মুনিয়ার কথা শুনে ঝুমুর মুখটা গম্ভীর হয়ে গেলো।
লাইটের আলোয় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে ঝুমুর সেই গোমড়া মুখটা।
মুনিয়া মিনমিনে স্বরে বললো-
পছন্দ হয়নি আইডিয়া টা?
.
আচমকা ঝুমু শব্দ করে হাসতে হাসতেই বললো-
সেই আইডিয়া! এই নাহলে আমার বান্ধবী!
-আমি জানতাম তোর পছন্দ হবে। তাহলে আমাদের নেক্সট মিশন আকাশ ও আকিব। ডান?
-ডান বান্ধবী!
.
ঝুমু ও মুনিয়া একে অপরের হাত ধরে হাঁটতে লাগলো। এই সম্পর্ক যেনো সব সম্পর্ক থেকে আলাদা। অটুট থাকবে এই বন্ধুত্ব আজীবন!
.
(সমাপ্ত)

Comments

Popular posts from this blog

তুমি আছো বলে - নৌশিন আহমেদ রোদেলা (সকল পর্ব ১-১৮)

রঙ চা - মাহফুজা মনিরা (সকল পর্ব ১-২৬)

কলঙ্কের ফুল - সাজি আফরোজ (সকল পর্ব ১-২৯)