বৈধ সম্পর্ক - সাজি আফরোজ (পর্ব ৯)


-হ্যালো?
-ফোন অফ হয়ে গিয়েছে কেনো সায়নী?লাইন কেটে যাওয়ার পর কল ব্যাক করেছিলাম,অফ বলছে।
-আসলে একটু সমস্যা হয়েছিলো।
-মোবাইল এর সমস্যা?আমি তোমার জন্য নতুন মোবাইল পাঠাবো।
-আরে না।আমার মোবাইল ঠিক আছে।কোনো সমস্যা নেই মোবাইল এর।আসলে অন্য কারণে...মানে লাইন কেটে যাওয়ার জন্য আমি দুঃখিত।
পাবেল বুঝতে পারে সায়নী লাইন কেটে যাওয়ার কারণ তাকে বলতে ইচ্ছুক নয়।কতো কারণ-ই হতে পারে।সব বলতে হবে বলে কথা নেই।
সায়নীর কাছ থেকে আগে নাম্বার নেয়া হলেও তাকে ফোন দিয়েছে সে এই প্রথম।হয়তো হঠাৎ পাবেলের কণ্ঠ শুনে সে নার্ভাস হয়ে গিয়েছে।তাই সে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে বলে-
আরে ঠিক আছে সায়নী।আমার সাথে এতো ফর্মালিটি করার প্রয়োজন নেই।
-ধন্যবাদ।
-আহা!
-কি?
-এটাও কিন্তু...
-বুঝেছি আর বলবোনা।
-গুড।
-কি যেনো বলছিলেন তখন?
-ওহ,বলছিলাম আম্মুরা তোমাদের ওখানে যেতে চায়ছেন।আমাদের বিয়ের কথা আগানোর জন্য।কখন যাবে?
অনেক চেষ্টা করেও সায়নী পারছেনা পাবেল কে সব খুলে বলতে।আফরানের সাথে পাবেলের বিষয়ে কথা বলতে মনেই ছিলোনা তার।কিন্তু পাবেল কে অন্ধকারে রাখা কি ঠিক হবে!মোটেও না।
আবার পাবেল কে জানালে সে যদি রেগে গিয়ে গণ্ডগোল করে!উফ ভাবতে পারছেনা আর সে।কি করবে,কি করা উচিত!
-কোনো সমস্যা সায়নী?
-আসলে...

-বলতে পারো আমাকে তুমি।
-আমি এই বিয়েটার জন্য এখনও প্রস্তুত নয়।
-কিন্তু তোমাকে আগেই জানানো হয়েছে আমার কথা তবুও কেনো তুমি এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারোনি?
-তখন তো আর আপনার সাথে মিশতে পারিনি আমি।
-ওহ এই ব্যাপার!তা এখনও মিশছো কই?
-বুঝিনি।
-আমার সাথে কোথাও যাওয়া দূরের কথা।
একটা ফোনও দাওনি।
-আপনিও দিতে পারতেন।
-হাহা চালাক!
-হুম।
-তাহলে তোমার সময় লাগবে ভাবতে?
-হুম,কিছুদিন।
-ঠিক আছে নাও সময়।
-তবে ফুফুদের নিয়ে বেড়াতে আসেন।
বিয়ের কথা না হয় অন্য একদিন তুলবেন তারা।
-হুম আইডিয়া খারাপ না।আমি আম্মুকে বলবো।কাল আসবো আমরা দুপুরের আগে।
-ঠিক আছে,এখন রাখি।
-হুম।
পাবেলের মা যখন সায়নীর কথা পাবেল কে জানায় তখন থেকেই তার মনে সায়নীর জন্য একটু একটু করে ভালোবাসা জমতে থাকে।
শেষ দেখেছিলো সায়নীকে ৯বছর আগে।৯বছর আগেই পাবেল আমেরিকা চলে যায় পড়াশোনার জন্য।তার পরিবার দেশে আসা-যাওয়ার মধ্যে থাকলেও এই ৯বছরে সে একবারো আসেনি।
পড়াশোনার প্রচণ্ড চাপে প্রেম-ভালোবাসা এসব করার সুযোগও পায়নি।মা যখন সায়নীর কথা বলে তাকে,
যোগাযোগ করার ইচ্ছে থাকলেও করেনি সে।মায়ের দেখানো কিছু ছবিতে সায়নীকে দেখে সে।৯বছর আগের সায়নীর সাথে এই সায়নীর সব-ই মিল রয়েছে।দেখতে সুন্দরী,মেধাবী,মায়েরও পছন্দ।সায়নীর চেয়ে বেস্ট জীবন সাথী আর কেউ হতে পারেনা তার জন্য।সব কিছু ভেবে সেও বিয়েতে রাজী হয়ে যায়।কিন্তু সায়নীর কি হয়েছে হঠাৎ!
-আম্মা কি করো?
-আরে হাসির মা আসোনা ভেতরে।
-জানো আম্মাজান কি হইছে?
-কি হয়েছে?
-আব্বাজানে তার বউরে পায়েল উপহার দিছে দুইডা।
-মানে?
-কি জানি দিবস আছেনা?
-ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে দিয়েছে?
-হা।
-তুমি কি করে জানো?
-আমি ওই ঘরে গেছিলামতো।দেখছি।
-আফরান কে একটু বলতে পারবে আমি ডাকছি?
-আইচ্ছা।
আমাকে গিফট দিলে মুনিরাকেও দিতে হবে!তার মানে আমার সাথে সকালে সময় কাটালে রাতে মুনিরার সাথে....
নাহ,দুই নৌকায় পা দিয়ে আফরান চলতে পারবেনা।কিছুতেই না।
আফরান দরজা খুলে ভেতরে ঢুকতেই সায়নী তার শার্ট এর কলার ধরে জিজ্ঞেস করে-
মুনিরাকে পায়েল দিয়েছো কেনো?
-ওর মা কথা টানছিলো, আজকের দিনে...
-ওদের সবাইকে খুশি রাখার দায়িত্ব তোমার?
-সায়নী পাগলামো করছো এখন তুমি।
আফরান থেকে খানিকটা দূরে সরে সায়নী আবার বলতে শুরু করে-
তোমার দুইটা বউ দরকার আসলে।নাহলে বিয়ে তুমি করতে না।আর ভূলেই যখন করেছো ওই মেয়ের সাথে আটকে যেতেনা।
সায়নীর পাশে গিয়ে আফরান তার কাঁধে হাত রেখে বলে-
সায়নী শোন প্লিজ?
সায়নী তার হাতটি সরিয়ে দাঁতে দাঁত চেপে বলে-
গায়ে হাত দিবেনা একদম।কি শুনবো!খালুতো চায়বেন তার বন্ধুর মেয়েকে উদ্ধার করার জন্য বিপদ থেকে।তাই তোমাকে অনুরোধ করেছে বিয়েটা করার জন্য।তুমিও ঢ্যাংঢ্যাং করে বিয়েটা করে নিলে।কেনো?তুমি পারতেনা বিয়া ছাড়াই মেয়েটাকে বাড়িতে তুলে আশ্রয় দিতে?পরে না হয় দেখে শুনে পরে অন্য কোথাও বিয়ে দিতে।না তুমি তা করোনি।আসলে তুমি ওকে দেখে লোভ সামলাতে পারোনি।একদিকে আমাকে রেখেছো অন্যদিকে মুনিরাকেও।মেয়ের প্রতি এতো লোভ তোমার!তুমি একটা চরিত্রহীন পুরুষ।
এই কথাটি শুনে আফরান নিজের রাগ সংযত করতে না পেয়ে সায়নীর গালে কষে একটা চড় দেয়।
আফরানের এমন কাণ্ডে সায়নী বোকার মতো আগের জায়গাতে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে।
সায়নীকে শান্ত অবস্থায় দেখে আফরান তাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলে-
আমি কেনো বিয়েটা করেছি আমি জানিনা।কিন্তু বিশ্বাস করো মুনিরাকে নিয়ে আমার মাথায় এসব ফালতু চিন্তা আসেনি।আমি ওকে ডিভোর্স দিয়ে দিবো খুব তাড়াতাড়ি।
আর পায়েল জোড়া ওর মায়ের মুখ বন্ধের জন্য দিয়েছি।তাও আমার ভূল হয়েছে।
সায়নী কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলেছে।
চোখে আস্তে আস্তে অন্ধকার দেখছে সে।
আফরানের শরীরের সাথে তার শরীর একেবারেই লেপ্টে যাচ্ছে।
-কি ব্যাপার সায়নী কথা বলছো না কেনো?
-
-এই সায়নী?
কোনো সাড়া না পেয়ে নিজের বুক থেকে সায়নীকে সরাতে গিয়ে আফরান বুঝতে পারে সায়নী বেহুঁশ হয়ে গিয়েছে।এমন অবস্থায় তার কি করা উচিত বুঝতে না পেরে জোরে চিৎকার দিয়ে উঠে আফরান।
তার চিৎকারে বাসার সবাই সায়নীর রুমে এসে দেখে সায়নীর মাথা কোলের উপর রেখে মাটিতে বসে আফরান কেঁদে চলেছে।
-আম্মু আসবো?
-হুম পাবেল আয়।
-সায়নীর সাথে কথা হয়েছিলো।
-কি বলেছে সে?
-বিয়ের কথা আর কিছুদিন পরে বললে ভালো হয়।
-এটা বলেছে সায়নী!কিন্তু কেনো?
-আসলে আমরা আগে একে অপরকে চিনতে চাই।
-নতুন করে চেনার কি আছে!
-না মানে....
-ওহ প্রেম করতে চাস বিয়ের আগে এটা বলনা।
-আম্মু!
-হাহা।ঠিক আছে কর তোরা প্রেম।কিন্তু এক মাসের বেশি সময় দিতে পারবোনা।
-হেহে।তাতেই হবে।তবে কাল ওদের বাসায় আমাদের সবাইকে যেতে বলেছে।
-তাই নাকি!বেশ ভালো হলো।
আফজাল ভাইয়ের সাথেও দেখা হবে।
-হুম তবে আম্মু প্লিজ বিয়ের কথা তুলোনা এখন।
-আরে বাবা তুলবোনা।মনে থাকবে।
-ধন্যবাদ আমার লক্ষি আম্মুটা।
আস্তে আস্তে চোখ খুলে সায়নী দেখতে পায় সে বিছানায় শুয়ে আছে।চারপাশে বাড়ির সকলে রয়েছে।মুনিরা তার পাশেই বসে আছে।
সায়নী চোখ খুলতে দেখে মুনিরা খুশিতে বলে উঠে-
আপু চোখ খুলেছে।
আফরান ডাক্তার আনার জন্য বের হচ্ছিলো সায়নীর জ্ঞান ফিরছেনা বলে,মুনিরার কথায় সে পেছনে ফিরে সায়নীকে দেখতে পায়।সায়নীর চোখ খোলা দেখে তার শরীরে প্রাণ ফিরে পায়।
আফজাল খান সকলের উদ্দেশ্য বলেন-
সায়নীকে এখন আরাম করতে দেওয়া উচিত আমাদের।
তার কথায় একে একে সবাই বের হয়ে গেলেও মুনিরা আর আফরান দাঁড়িয়ে থাকে।মুনিরা শ্বশুরের উদ্দেশ্য বলে-
আজ আমি আপুর সাথে থাকি?
আফজাল খান কিছু বলার আগেই সায়নী বলে ধীর গলায়-
না তুমি যাও।
আফজাল খান বলেন-
আফরান বউমা কে নিয়ে যা নিজের রুমে।
-কিন্তু সায়নী?
-সেটা আমি দেখছি।
না চাইতেও আফরানকে রুম থেকে বের হতে হয়।
সায়নীর পাশে বসে আফজাল খান বলেন-
তুই কি কোনো বিষয় নিয়ে চিন্তিত?
ছোট্ট একটা নিঃশ্বাস নিয়ে সায়নী বলে-
না খালু।কদিন ধরে শরীরটা ভালো লাগছেনা।
-তাহলে একটা ভালো ডাক্তার দেখাতে হবে তোকে।
-কোনো দরকার নেইতো খালু।
-আছে,আমি পাবেল কে বলবো।এখন ঘুমা,
আজ হাসির মাকে বাসায় যেতে নিষেধ করবো।তোর পাশেই থাকবে সে।
-হুম।খালু একটা কথা ছিলো।
-কি মা?
-কাল ফুফুরা আসবেন।
-এটাতো ভালো কথা!
-কিন্তু আমিতো অসুস্থ হয়ে পড়েছি।
-তাতে কি হয়েছে!উনাদের কোনো অযত্ন আমি হতে দিবোনা।
-না সেটা বলছিনা।
-আর কিছু বলিস নাতো।ঘুমা এখন।
এতোদিন নির্ঘুমে রাত পার করেছে সায়নী।
কিন্তু আজ তার খুব ঘুম পাচ্ছে।কোনো কিছু ভাবতে ইচ্ছে করছেনা তার।হয়তো শরীর খারাপ তাই।
এদিকে আফরানের মন ছটফট করতে থাকে সায়নীর জন্য।এটা কি করলো সে!সায়নীর গায়ে হাত তুলছে সে!এই অপরাধের জন্য সায়নী যদি তাকে ছেড়ে চলে যায়?তার ভূলের পরিমাণ কি দিন দিন বেড়ে চলেছে!
আচ্ছা সায়নীর জায়গায় হলে সে নিজেই কি করতো!হয়তো মুনিরা নামক মেয়েটাকে মেরেই ফেলতো।
-আপু কিভাবে বেহুুঁশ হলো?
মুনিরার হঠাৎ প্রশ্নে আফরান চমকে যায়।আমতাআমতা করে বলে-
আমি ঠিক জানিনা।
-কিন্তু আপনিতো ওখানেই ছিলেন।মানে আপনার চিৎকার শুনেই আমরা সকলে আপুর রুমে যাই।
-আমি ওর সাথে কথা বলছিলাম।কথার মাঝে হঠাৎ করেই ও জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। ওর এই অবস্থা দেখে ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।
-ওহ!আপুকে ইদানিং অসুস্থ মনে হয়।একটা ডাক্তার দেখানো উচিত।
-ঠিক আছে,আমি কথা বলবো ওর সাথে এই বিষয়ে।
শুয়ে পড়ে মুনিরা।কিন্তু মাথায় তার একটা কথায় ঘুরপাক খাচ্ছে,সায়নীর জ্ঞান হারানোর কারণ কি!
সকাল ১১টা......
সায়নীর ঘুম ভাঙ্গে হাসির মায়ের ডাকে।
-আপা মনি?উঠো দেখি।তোমার হবু জামাই আসবেতো।
-উহু খালা,তোমাকে কতবার বলেছি আপা টাপা ডেকোনা আমায়।সায়নী ডেকো।
-আপা মনিতো আদরের ডাক।
সায়নী বিছানায় উঠে বসে।হাসির মায়ের দিকে তাকিয়ে বলে-
নতুন বউ কে কি আদর করে আপা ডাকো?
-নাতো,তারে আমি ও বউ বলেই ডাকি।
-ও বউ!হাহা।
দুপুর ১২টা....
সায়নীর ফুফুরা তাদের বাসায় উপস্থিত হয়।
তাদের সাথে পাবেল আসেনি।তার এক বন্ধুর শরীর খারাপ হওয়ার কারণে তাকে বন্ধুর কাছে যেতে হয়।
বাসার সকলে বসে একসাথে গল্প করছে।
কিন্তু আফরান অফিসে।
এক পর্যায়ে সায়নীর খালা বলেন-
আজতো সায়নীর রান্না খেতেই এসেছি আমরা।সেই কবে খেয়েছি!এখন নিশ্চয় রান্না আরো বেশি ভালো হয়?
সায়নীকে চুপ থাকতে দেখে আফজাল খান বলেন-
আসলে ওর একটু শরীর খারাপ তাই দুপুরের রান্নাটা ও করতে পারেনি।তবে হুম রাতেরটা নিশ্চয় করবে।
-আমরা রাতের আগেই চলে যাবো।
-না না,তা হয়না।আজ থাকতে হবে।তাছাড়া পাবেলের সাথে দেখাই হয়নি।
-কিন্তু..
-আরে তাকেও সুযোগ করে দিন সায়নীর রান্না খাওয়ার জন্য।পাবেলকে ফোন করে ফ্রি হলে চলে আসতে বলুন।
-কথাটা মন্দ বলেন নি ভাই।
ওগো তুমি কি বলো?
পাবেলের বাবা হেসে বলেন-
তুমি যা বলো তাই।পাবেল আসলেই না হয় বিয়ের কথাটাও সেরে নিবো।
কথাটি শুনেই মুনিরার মায়ের মুখে হাসি ফুটে।আপদ দূর করতে পারবে ভেবেই
তিনি খুশিতে বলে উঠেন-
হুম ভাই সাহেব,সব যখন ঠিক হয়ে আছে আর দেরী কিসের জন্য!সায়নীর সাথে পাবেলের বিয়েটা সেরেই ফেলেন।
পাবেলের কাল রাতের কথা তার মায়ের মাথায় ঠিকই রয়েছে।
তাই তিনি সবার উদ্দেশ্য বলেন-
পাবেল চায় আগে কিছুদিন সায়নীর সাথে মিশতে।আর কিছুদিন পরেই না হয় বিয়ের কথা আগায় আমরা?কি বলেন আফজাল ভাই?
-আপনারা যা ভালো বুঝেন।
সায়নী কৃতজ্ঞতার দৃষ্টিতে ফুফুর দিকে তাকাতেই ফুফু বলে উঠে-
এই যে,এতো বেশি রান্না করতে হবেনা।আবার শরীর খারাপ করবে।যেকোনো একটা আইটেম পাবেলের জন্য করলে হবে।
-জ্বী।
রাত ৮টা....
এতো লোকের মাঝে মুনিরার মনে পড়তে থাকে আফরানকে।
কেনো তার আফরানের প্রতি এতো ভালোলাগা কাজ করে!
যার জন্য এতো মানুষের ভিড়েও সে আফরানের কথা মনে করে চলেছে।
কলিং বেল এর শব্দ হয়।মুনিরা ভাবে আফরান এসেছে।সবাই ব্যস্ত থাকার কারণে সে তাড়াহুড়ো করে দরজার দিকে এগিয়ে গিয়ে দরজাটা খুলে দেয়।
কিন্তু দরজার ওপারে আফরান নয়,দাঁড়িয়ে রয়েছে পাবেল।
কয়েক সেকেণ্ড মুনিরার দিকে তাকিয়ে পাবেল বলে উঠে-
মুনিরা!
(চলবে)

Comments

Popular posts from this blog

তুমি আছো বলে - নৌশিন আহমেদ রোদেলা (সকল পর্ব ১-১৮)

রঙ চা - মাহফুজা মনিরা (সকল পর্ব ১-২৬)

কলঙ্কের ফুল - সাজি আফরোজ (সকল পর্ব ১-২৯)