হৃদয়ের গহীনে - সাজি আফরোজ (পর্ব ৭)


বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে।জানালার পাশে দাঁড়িয়ে আছে দিয়া।
না চাইতেও চোখ দিয়ে পানি পড়ছে তার।
এটাকি হারানোর ভয়!কিন্তু সেতো হারিয়ে ফেলেছে,নাকি এখনো সুযোগ আছে!
বিকাল হয়ে যায়....
দিয়ার ফোন বাজছে।কিন্তু সাইলেন্ট থাকায় সে শুনতে পায়নি।জারিফের ফোন ছিলো।দিয়াকে না পেয়ে পিয়ালীকে ফোন দেয় সে।
-হ্যালো আপু?
-হুম জারিফ বলো।
-দিয়া কোথায়?
-আছেতো পাশেই।দিবো?

-না আমি ওর সাথে কথা বলতে ফোন করিনি।বলছিলাম আমরা প্রায় এসে গিয়েছি।আপুকে নামিয়ে দিয়ে আমি চলে যাবো।
-আচ্ছা দিয়া আর আমি দাঁড়াবো।
-ওর না দাঁড়ালেও চলবে।
-আরে কেনো!নাও কথা বলো ওর সাথে।
-আরে না না দিয়েন না।আমি ওর সাথে বলার জন্য দিইনি ফোন।
(সেই সময় পিয়ালী দিয়ার কানে ফোন দিয়ে দেওয়ায় দিয়া কথাটি শুনে ফেলে।)
-ওহ তাই!ঠিক আছি আমি রাখছি।
-হুম তাই রাখো দিয়া।
-আজকে আপুকে হেল্প যদি না করতে কয়েকটা শুনাতাম এখন।
-শুনাও!আমি অন্য কেউ হলেও করতাম।তুমি কি ভেবেছো তোমার জন্য করেছি!?মোটেও না।
দিয়া আর শুনেনি।ফোন কেটে রাগে কটমট করতে থাকে।
-দিয়া উঠ।নিচে যেতে হবে হিয়াকে আনতে।
-হুম চলো।
নিচে গিয়ে দিয়া গেইট থেকে বের হতে চাচ্ছিলোনা।তার মুখ জারিফকে দেখানোর ইচ্ছা তার নেই।কিন্তু পিয়ালীর জোরাজুরিতে গেলো।
কিছুক্ষণ দঁাড়ানোর পর জারিফ আর হিয়াকে দেখতে পেলো তারা।
দিয়া আর পিয়ালীর মুখে স্বস্তির হাসি।
দিয়ার ইচ্ছে করছিলো জারিফকে গিয়ে জড়িয়ে ধরে ধন্যবাদ বলতে।কিন্তু সেটা সম্ভব নয়।জারিফতো তার সাথে কথাই বলতে চায়না আর।
সন্ধ্যায় পিয়ালী হিয়ার সাথে কথা বলছিলো।সেই সময় দেখলো দিয়ার মনমরা।
-কি হলো আমাদের ছোট বোনটার?
-না পিয়ালী আপু কিছু হয়নি।
-আজ কিন্তু তুই ঠিক করলিনা।ছেলেটাকে একটা ধন্যবাদ দিতে পারতি।
-শুনোনি কি বলেছে সে!কথা বলতে চায়না।আর কেউ হলেও সে সাহায্য করতো।
তখন হিয়া বলে উঠে-
ও তোর সাথে মজা করছিলো।
আমাকে বলেছে একটু মজা করবে।কিন্তু তুই সেটা সত্যি ধরে নিয়েছিস।ও তোকেই আগে ফোন দিয়েছিলো।রিসিভ না করাতে পিয়ালীকে ফোন দিয়ে দুষ্টুমি করে।
দিয়া ফোন হাতে নিয়ে দেখে আসলেই দিয়েছিলো।
পিয়ালী-দেখ দিয়া জারিফ তোকে অনেক ভালোবাসে।আমি মানছি একটু বেশি চাপে রাখতে চায় তোকে।কিন্তু সেটা ভালোবেসেই।অন্য কেউ হলে সাহায্য করতো কিন্তু এতো ভোরে উঠে চলে আসতোনা।তুই যাতে বিপদে না পড়িস সেটা ভেবেই ও হিয়াকে নিয়ে গিয়েছে।আরেকটা বার ভেবে দেখ।ওকে বুঝা।তোর ইচ্ছা-কেও গুরুত্ব দিতে বল।দুজনে কথা বলে সব ঠিক করে নে।
সারারাত ভাবতে থাকে দিয়া কিভাবে সে জারিফের সাথে সব ঠিক করবে আবার।
ঠিক করাটাও কি ভালো হবে!জারিফ ওতো করতে পারে ঠিক।সে কেনো তাকে বুঝেনা।সেতো কোনো খারাপ কাজ করতে চায়না।নিজের স্বাধীনমতো চলতে চায় সে।কিন্তু আজ মনে হচ্ছে জারিফের কথায় সে সব ছাড়তে পারবে।কেনো যেনো জারিফকে নিয়ে ভয় হচ্ছে তার।
ওপাশে শুয়ে আছে হিয়া।জহুর আরামে ঘুমালেও তার চোখে ঘুম নেই।এতোদিনের স্বপ্ন এভাবে ভেঙে যাবে জানলে স্বপ্ন দেখতোনা কখনো।
ভোর হয়ে যায়।পিয়ালী উঠে দেখে হিয়া হাটছে।এই মেয়েটাকে কিছু বলে শান্তনা দিতেও ইচ্ছে করেনা।কি বলে শান্তনা দিবে,যার স্বপ্ন বাস্তবায়ন হওয়ার আগেই সব শেষ হয়ে গেলো।
দুপুরে হিয়া আর দিয়া বাসায় ফিরে যাওয়ার জন্য রওনা হয়।সেদিন পিয়ালীদের বাসায় আসার সময় জানতোনা এতো কিছু হয়ে যাবে।সারা রাস্তা দুবোন নিরব ছিলো।
বাসায় পৌঁছাতেই হিয়া আর দিয়াকে দেখে দিয়ার মা চমকে যায়।
-কিরে এ কি অবস্থা তোদের?চেহেরা এমন কেনো হয়ে গিয়েছে!কিছু হয়েছে?
দিয়া-না আম্মু কি হবে!ঠিক আছি।
-না নেই।কেউ কিছু বলেছে বা রাস্তাঘাটে কিছু হয়েছে?
চাচীকে দেখে কান্না চেপে রাখতে পারলোনা হিয়া।যে সম্পর্কের কথা এতো বছরেও বলেনি সে সম্পর্কের পরিণতির কথা আজ চাচিকে জানায়।
-জানো চাচি।জহুর বলেছিলো চাকরী পেলে তোমাকে আমাদের কথা জানাতে।আম্মু-আব্বু যদি চাকরী পাওয়ার পরেও না মানে তুমি তাদের রাজী করাতে পারবে।
আজ হিয়া চাচিকে জরিয়ে ধরে ইচ্ছেমত কেঁদেছে।তার চাপা কান্না সব বের হয়ে গিয়েছে।
মারা বুঝি এমনি হয়।না বললেও বুঝে যায় সব।তাই সে চাচির থেকে লুকোতে পারেনি সেদিন।
সারাটা দিন কেটে যায়।দিয়ার জারিফকে নিয়ে ভয় যেনো বাড়তে থাকে।থাকতে না পেরে মেসেজ দেয় তাকে-
ভালো আছো?
-আছি দিয়া।তুমি?
-হুম।
-আপুর কি অবস্থা?
-যেমন দেখেছিলে।
-আর কিছু বলবা?
-বলতে পারিনা?
-৫মাস আগে নিজেই সেই অধিকার হারিয়েছো।
-ওহ।ভালো থেকো।
-তুমিও।
এমন কেনো জারিফটা!দিয়া কিছু বলতে চায় সে কি বুঝছেনা!জারিফের জীবনে কি দিয়ার জন্য সত্যি কোনো জায়গা নেই!
ভাবতেই ভাবতেই দিয়ার ফোন বেজে উঠলো।
.
না দেখেই সে রিসিভ করে বলে...
-হ্যালো জারিফ?
-না পিয়ালী।
-হুম আপু বলো?
-হিয়ার কি অবস্থা?
-আগের মতোই।
-ওকে নিয়ে বের হওয়া উচিত।ভালো লাগবে ঘুরলে।চল কাল ভাটিয়ারী যাই?
-ঠিক আছে।
আরেকটা রাত চলে আসে।এই রাত যেনো কাটতেই চায়না।
হিয়া জহুরের কথা ভাবতে থাকে।কি করে পারলো তাকে এভাবে একা করে চলে যেতে সে!তার মন যে শান্ত হচ্ছেনা কিছুতেই।
-আপু ঘুমাবেনা?
-ঘুম আসছেনা বোন।
-রাত দুটো এখন।একটু চেষ্টা করো।
-করবো।তুই ঘুমা।
-আমারো আসছেনা।
-আচ্ছা আমি খুব খারাপ তাইনা?
-কেনো?
-সামান্য রাত ১২টাই শুভেচ্ছা জানায়নি বলে রাগ করে ২দিন কথা বলিনি।২টা দিন নষ্ট করেছি।অথচ ভূলেই গিয়েছিলাম প্রতি জন্মদিনে কেমন সারপ্রাইজ ও দেয় আমাকে।তোকে ৪বছর আগের ঘটনাটা বলেছিলাম না?
-কোনটা আপু?
-ও পার্ক এ আমার জন্মদিনের আয়োজন করেছিলো ওর বন্ধুদের নিয়ে।বন্ধু ছিলো বলে আমি লজ্জায় যাইনি।সাথে আব্বুর ভয় ও ছিলো।অনেক রাগ করেছিলো জহুর।কিন্তু পরে বুঝতে পেরেছিলো এতোগুলা ছেলে বন্ধু আনা ওর ঠিক হয়নি।আর কোনোদিন আনবেনা বলেছিলো,শুধু আমাকে নিয়েই করবে পালন।
-হুম।
-অথচ আমি এসব ভূলে গিয়েছিলাম,সামান্য উইশ এর জন্য রাগ করেছি।আমি খুব খারাপ।
-একদম না।এইরকম খারাপ লাগে।গতবছর জারিফ-ও আমাকে উইশ করেনি রাত ১২টাই।আমিও সে কি রাগ!একটু পরে আতশ বাজির শব্দ শুনতে পেয়ে বারান্দার দরজা খুলে দেখি জারিফ হাতে অনেক গুলা বেলুন নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।আমাকে দেখেই ইশারায় মোবাইল দেখতে বলে।দেখলাম মেসেজ দিয়েছে শুভ জন্মদিন।
-চাচিরা বুঝেনি?
-আম্মু ছিলোনা,নানুর বাসায় ছিলো।আব্বু এসব দেখেনা,কতো মানুষ থাকে এইরকম।
-তারপর?
-তারপর ও দেওয়াল পার হয়ে নিচে একটা প্যাকেট রেখে চলে যায়।
-আর বেলুন গুলো?
-ওগুলা ছেড়ে দেয়।আকাশে উড়ে যায়।
-ইশ আমি ছিলাম না তখন।
-হুম।আর জানো কি হয়েছে?
আমি রাতে প্যাকেট-টা নিতে পারিনি,এতো রাতে নিচে যাওয়া সম্ভব ছিলোনা।পরেরদিন সকালে নিয়েছিলাম।অনেকগুলো ফুল,একটা কার্ড আর এক জোড়া কানের দুল ছিলো।
সারপ্রাইজ দেওয়ার জন্য উইশ করেনি আর আমি....
-ভূল বুঝেছি।জহুর-ও এমন পাগল ছিলো।
-হুম।
-এতো আশা দিয়ে,এতো স্বপ্ন দেখিয়ে আজ আমাকে একা করে গেলো!কি করে পারলো এটা!
-শক্ত হও আপু,ভাইয়া সবসময় তোমার পাশেই থাকে।তোমাকে এভাবে দেখলে কষ্ট পাবে।ঘুমোতে চেষ্টা করো।
-হুম।
বোনকে বুঝালেও নিজের মন-ও অশান্ত দিয়ার।তার চোখে-ও কি আদৌ ঘুম আসবে!জহুরের জন্য তার খারাপ লাগছে,আরো বেশি খারাপ লাগছে হিয়ার জন্য।কিন্তু ভয় হচ্ছে জারিফ কে নিয়ে।জারিফ কে সে হারিয়ে ফেলবে!!
দিয়া কানে হেড ফোন গুজে দিয়ে গান শুনতে থাকে-
সব কিছু বদলে গেলো এক রাতে নিমিষে
তুমি হারিয়ে যাবে বলেছিলে কবে
আজ তোমায় হারিয়ে আমি একা এই রাতে
ভাবনাতে তোমাকে খুঁজেছি তবে
ভাবি তুমি আসবে ফিরে
ধরবে হাত গুলো
বলবে তুমি কেঁদোনা
ফিরে এসেছি এই দেখো
আর বলবে কেঁদোনা তুমি
এই বারি তো শেষ কান্না
বসে আছি আমি তোমার জন‍্যে
আসোনা, ফিরে আসোনা, আসোনা, ফিরে আসোনা,,,,,,
ফিরে এসেছি ভালোবেসে
তোমায় আমি প্রতিটি বার
সব ব‍্যথা ভূলে সব কষ্ট ফেলে
এসেছি আজি আমি তোমার কাছে
তবু তুমি নেই আজ আমার পাশে
হারিয়ে গেছো বহু দুুরে
ভাবি তুমি আসবে ফিরে
ধরবে হাত গুলো
বলবে তুমি কেঁদোনা
ফিরে এসেছি এই দেখো
আর বলবে কেঁদোনা তুমি
এই বারি তো শেষ কান্না
বসে আছি আমি তোমার জন‍্যে ,,
আসোনা, ফিরে আসোনা, আসোনা, ফিরে আসোনা।।।।।।।।।।।।।।।
.
.
ভাটিয়ারী সানসেট পয়েন্টে বসে আছে পিয়ালী,দিয়া আর হিয়া।
তিন জনই চুপচাপ।হঠাৎ দিয়া দেখে জারিফ একটু দূরে দাঁড়িয়ে তার দিকে তাকিয়ে হাসছে।
জারিফ কিভাবে এখানে!ভাবছে দিয়া...
-এইযে এতো ভাবলে চলবে নাকি যাবি ছেলেটার কাছে?
-পিয়ালী আপু ও কিভাবে এখানে?
-আমাকে জারিফ বলেছে তোকে নিয়ে আসতে এখানে।
যা যা দেখি এবার।
-কোথায়?
-আরে পাগলি জারিফের কাছে।
দিয়া এগিয়ে যায় জারিফের কাছে।
-কাল কি যেনো বলতে চেয়েছো দিয়া?
-কিছু নাতো।
-চাওনি?সত্যি?
-হুম।
-আচ্ছা এখন চাও কিছু বলতে?
-না।
-ঠিক আছে।আমি চলে যাচ্ছি।
(জারিফের হাত টেনে ধরে ফেলে দিয়া।)
-কি বলতে চাই বুঝোনা তুমি জিরাফ?
-এই তুমি আমাকে আবার জিরাফ ডাকছো!বলেছো না আর ডাকবেনা কখনো)
-তাহলে কি ডাকবো লম্বু?
-নাহ, গুড্ডুগুড্ডু।
-তাহলে তো বুঝেছো কি বলতে চাইছি?
-ইন্না বুঝছিনা।
-ভালোবাসি তোমাকে।হারাতে পারবোনা।
-কিন্তু তুমিতো আমার কথামতো চলতে চাওনা।
-চলবো,সব করবো।
-পাক্কা?
-একদম।
-আগেও তোমার মুখে এটাই শুনতে চেয়েছিলাম আমি।জানি তুমি কোন ভূল করতে পারোনা।তাও চেয়েছিলাম আমাকে প্রাধান্য দাও।সেদিন যদি একবার বলতে তুমি যা বলো তাই হবে,বিশ্বাস করো আমি কিছুই বলতাম না।নিজের মতোই চলতে দিতাম তোমায়।আজ আমি অনেক খুশি।তুমি আমার কথা শুনবে বলেছো।কিন্তু তুমি নিজের মতোই চলতে পারো।আমার কাছেও তুমি স্বাধীন।
-কিন্তু তুমি চলতে পারবেনা।আমার একটা শর্ত আছে।
-কি?
-তোমার বাইক টা আর চালাতে পারবেনা তুমি।
-ওরে দুষ্টু,এইজন্যই বুঝি প্রেম করতে এসেছো আবার আমার সাথে?
-যা ভাবো তাই।জহুর ভাইয়ার মতো তোমার সাথে কিছু হোক চাইনা আমি।রাজি?
-আমার কাছে আমার মনির ইচ্ছার চেয়ে বড় কিছু নেই।যা বলো তাই হবে।
চোখ দিয়ে পানি চলে আসে দিয়ার।এই মানুষটার থেকে আস্তে আস্তে সে দূরে চলে যাচ্ছিলো।কি ভূল টায় না সে করছিলো।
জারিফের আরো কাছে গিয়ে হাতদুটো ধরে সে কেঁদে কেঁদে বলে-
আজ আমি তোমায় প্রপোজ করছি জারিফ।আজীবন থাকবা আমার সাথে প্লিজ।আমাকে ছেড়ে যেওনা।আমি যেতে চাইলেও যেতে দিবেনা বলো?
দিয়ার বাচ্চাবাচ্চা কথা শুনে জারিফের মুখে হাসি চলে আসে,সাথে চোখে পানিও।
এটা যে খুশির কান্না।
কোনো পরোয়া না করে দিয়াকে শক্ত করে জরিয়ে ধরে বলে-
নিজেও কোথাও যাবোনা,তোমাকেও যেতে দিবোনা।দেখিও তুমি।
দূর থেকে তাদের দেখে পিয়ালীদের আর বুঝতে বাকি রইলোনা দিয়া আর জারিফের মাঝে সব ঠিক হয়ে যায়।
পাগল ২টা হাসছে সাথে কাঁদছেও।
সাথে হাসছে হিয়া আর পিয়ালী।
দিয়া আর জারিফকে এক সাথে দেখে হিয়ার মনটা অনেক শান্ত লাগছে।সে তার ভালোবাসার মানুষকে পায়নি।তবে মন থেকে এখন একটাই চাওয়া তার-
অটুক থাকুক দিয়া আর জারিফের ভালোবাসা।
পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত এবং আলোচিত শব্দ ভালোবাসা।
এই ভালোবাসা কখনো কঁাদায় আবার কখনো হাসায়!
জীবনের সব
বাঁধা জয় করা যায়,
যদি ভালোবাসার
মানুষটি পাশে থাকে।
তবে সব ভালোবাসার জয় হয়না।
তবু জীবন থেমে থাকে না।চলতে থাকে তার আপন গতিতে।আর সেই চলতি পথে হঠাৎ স্মৃতির ঝাপটা তো আসেই।
সময় চলে যায় কিন্তু ভালোবাসার মানুষটির নাম,স্মৃতি থেকে যায় হৃদয়ের গহীনে।।।।
.
(সমাপ্ত)

Comments

Popular posts from this blog

তুমি আছো বলে - নৌশিন আহমেদ রোদেলা (সকল পর্ব ১-১৮)

রঙ চা - মাহফুজা মনিরা (সকল পর্ব ১-২৬)

কলঙ্কের ফুল - সাজি আফরোজ (সকল পর্ব ১-২৯)