ডিটেকটিভ তিশা - শাহেদুল ইসলাম মাহিম (পর্ব ৫)
হুরাইরার হাত থেকে গ্লাসটি নিয়ে,
- বস এখানে।
সাব্বির চোখের ইশারায় তিশাকে না করে দেয়।
কিন্তু তিশা চুপ থাকার মতো মেয়ে নয়।
- মিমির গলায় বেল্টটি কিসের?
হুরাইরা - তা তো আমি জানি না।
- জানিনা মানে?
- মানে হচ্ছে বর্ণ ভাইয়া দিয়েছে এটা।
- বর্ণ!!!!
- হ্যাঁ। কেনো কি হয়েছে? তবে এটা কেনো দিয়েছে তা আমি জিজ্ঞেসা করতে বার বার ভুলে যায়। আজকে সবটা বলতে যাবো দেখি বর্ণ ভাইয়ার মোবাইল সুইচড অফ।
- কি? বর্ণের মোবাইল সুইচড অফ!
সাব্বির- হুরাইরা তুমি আরো কয়েকবার চেষ্টা করে দেখো ফোন যায় না কি? হইতো কাজে ব্যস্ত থাকতে পারে।
এ
হুরাইরা অন্য রুমে যেতেই সাব্বির তিশাকে চমকিয়ে দিয়ে বলে উঠলো,
আমি যদি বলি এসব কিছুর পেছনে বর্ণের হাত আছে? আর ঘর থেকে সাহায্য করছে হুরাইরা।
তিশা সাথে সাথে সাব্বিররের কলার ধরে ফেলে আর হেচকা একটা টান দিয়ে বলে,
- জাস্ট মাইন্ড ইউর লেংগুয়েজ
তুই জানিস তুই কি বলছিস?
- জানতাম তুই বিশ্বাস করবি না।
প্রমাণ নিয়ে আসলাম তাই।
তিশা সাব্বিরকে ছেড়ে দেয়।
আর জোরে চিৎকার করে কান্না করে উঠে।
- শক্ত হো তিশা। আমাদের সত্যটা খুজে বের করতে হবে।
কান্না জড়িত কন্ঠে তিশা সাব্বির থেকে প্রমাণ দেখতে চায়।
- মনে আছে কাল সকালে তুই আমাকে কিছু জিনিস দিয়েছিলস?
কাপা কন্ঠে তিশা হ্যাঁ সম্মতি দেয়।
সাব্বির খুব আসতেই একটা কথা বলে যেনো সে বলতে চেয়েও চায়নি,
- সেগুলোতে কিছু হাতের ছাপ পাওয়া পায়। যার মধ্যে একটি হলো বর্ণের।
আমি একটু আগেই ফরেনসিক ল্যাব থেকে খবরটা পেয়েছি।
আর এই ফটো গুলো দেখ যা আমার শার্টে লাগানো ক্যামেরাতে ধরা পড়েছে।
ক্যামেরাতে কালকে রাতের ঐ বিশাল দেহের প্রাণীটির ছবি।
ছবিটা জুম করে ক্রিয়েচারটার গলার দিকে।
চিনতে পেরেছিস???
.......
সাব্বিরের কথা গুলোতে তিশার মনে হলো যেনো তার দেহের প্রত্যেকটা অঙ্গে একে একে কে ছুড়ে ঠেকাচ্ছে।
তার মাথায় যেনো আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে এমনটি বললেও কম হবে।
তিশা এই চাপটি নিতে পারেনি আর সাথে সাথেই অজ্ঞান হয়ে যায়।
......
সাব্বিরেরও অনেক খারাপ লাগছে তার জন্যে।
ছোট বেলায়ই মা বাবা হারিয়েছে এতো বড় একটা ধাক্কা তার জীবনে এর উপর আবার এসব।
কথা গুলি ভাবতেই যেনো সাব্বিরের গা শিউরে উঠে।
তবে এভাবে বসে থাকলে তো চলবে না কিছু একটা করা দরকার।
দুপুরের দিকে সাব্বির তিশাকে পরম যত্নে ভাত মুখে তুলে দিচ্ছিলো।
তিশার হঠাৎ বর্ণের কথা মনে পড়ে গেলো।
তিশা প্রায়ই বায়না করতো এইভাবে বর্ণের হাতে ভাত খাবে বলে।
আর হুরাইরা পাশ থেকে ধং ধং করে চেচাতো।
এক অজানা হাসি দিয়েই তার চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পরছে।
আমি একটু আগেই ফরেনসিক ল্যাব থেকে খবরটা পেয়েছি।
আর এই ফটো গুলো দেখ যা আমার শার্টে লাগানো ক্যামেরাতে ধরা পড়েছে।
ক্যামেরাতে কালকে রাতের ঐ বিশাল দেহের প্রাণীটির ছবি।
ছবিটা জুম করে ক্রিয়েচারটার গলার দিকে।
চিনতে পেরেছিস???
.......
সাব্বিরের কথা গুলোতে তিশার মনে হলো যেনো তার দেহের প্রত্যেকটা অঙ্গে একে একে কে ছুড়ে ঠেকাচ্ছে।
তার মাথায় যেনো আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে এমনটি বললেও কম হবে।
তিশা এই চাপটি নিতে পারেনি আর সাথে সাথেই অজ্ঞান হয়ে যায়।
......
সাব্বিরেরও অনেক খারাপ লাগছে তার জন্যে।
ছোট বেলায়ই মা বাবা হারিয়েছে এতো বড় একটা ধাক্কা তার জীবনে এর উপর আবার এসব।
কথা গুলি ভাবতেই যেনো সাব্বিরের গা শিউরে উঠে।
তবে এভাবে বসে থাকলে তো চলবে না কিছু একটা করা দরকার।
দুপুরের দিকে সাব্বির তিশাকে পরম যত্নে ভাত মুখে তুলে দিচ্ছিলো।
তিশার হঠাৎ বর্ণের কথা মনে পড়ে গেলো।
তিশা প্রায়ই বায়না করতো এইভাবে বর্ণের হাতে ভাত খাবে বলে।
আর হুরাইরা পাশ থেকে ধং ধং করে চেচাতো।
এক অজানা হাসি দিয়েই তার চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পরছে।
ডিটেকটিভ তিশা আসতে আসতে সব কিছু মেলাতে থাকে।
আমিন সাহেবের টাকার অফার যখন তিশা ফেরত দেয় তখন বর্ণ কে অনেকটা আপসেট দেখায়।
এর পর বর্ণই আমিন সাহেবকে মেরে তার জায়গা দখল করে নেয়।
কিন্তু তিশাকে ভালাবাসে বলে সেদিন মারতে পারে নি।
মিমির গলায় ঐ অদ্ভুদ লাল বেল্টটার কারণে হইতো সে এতো পান বড় একটা রুপ ধারণ করে।
এখানে থেকে হইতো এতো কিছু করা সম্ভব না তাই কাজের বাহানা দিয়ে বাইরে গিয়েছে।
তারপর ঐ চিঠিটি হইতো সেই পাঠিয়েছে।
এবার আসা যাক হুরাইরার দিকে
হুরাইরা সেদিন রাতে বর্ণের ল্যাবে গিয়েছে হইতো মিমিকে কিছু একটা করতে।
দরজার চাবি তো বর্ণের কাছে।
তাই দরজার হুক বাইরে থাকা কেমিক্যাল দিয়ে গলিয়ে খুলে।
যা হইতো বর্ণই হুরাইরাকে শিখিয়ে দিয়েছে।
কারণ এতো রাতে যদি দরজা ভাঙ্গা হয় তাহলে তিশার ঘুম ভেঙ্গে যাবে এটা নিশ্চিত।
আমিন সাহেবের টাকার অফার যখন তিশা ফেরত দেয় তখন বর্ণ কে অনেকটা আপসেট দেখায়।
এর পর বর্ণই আমিন সাহেবকে মেরে তার জায়গা দখল করে নেয়।
কিন্তু তিশাকে ভালাবাসে বলে সেদিন মারতে পারে নি।
মিমির গলায় ঐ অদ্ভুদ লাল বেল্টটার কারণে হইতো সে এতো পান বড় একটা রুপ ধারণ করে।
এখানে থেকে হইতো এতো কিছু করা সম্ভব না তাই কাজের বাহানা দিয়ে বাইরে গিয়েছে।
তারপর ঐ চিঠিটি হইতো সেই পাঠিয়েছে।
এবার আসা যাক হুরাইরার দিকে
হুরাইরা সেদিন রাতে বর্ণের ল্যাবে গিয়েছে হইতো মিমিকে কিছু একটা করতে।
দরজার চাবি তো বর্ণের কাছে।
তাই দরজার হুক বাইরে থাকা কেমিক্যাল দিয়ে গলিয়ে খুলে।
যা হইতো বর্ণই হুরাইরাকে শিখিয়ে দিয়েছে।
কারণ এতো রাতে যদি দরজা ভাঙ্গা হয় তাহলে তিশার ঘুম ভেঙ্গে যাবে এটা নিশ্চিত।
বর্ণের প্রতি যতটা না ভালোবাসা ছিলো মুহুর্তেই যেনো তার চেয়ে অধিক গুণ ঘৃণার জন্ম নিলো তিশার মনে।
সাব্বির তিশার দিকে পানির গ্লাসটি বাড়িয়ে দিয়ে তুই কি চিন্তা করেছিস হইতো আমি জানি।
আমাদের আগে বর্ণকে খুঁজে বের করতে হবে।
- আমাকে একটু একা ছাড়।
- আচ্ছা আমি যায়।
- সাব্বির শোন?
- হ্যাঁ বলনা?
- যায় বলতে নেই বলে আসছি।
- হু। কিছু প্রয়োজন হলে আমাকে ফোন দিস। আমি তোর পাশে আছি সব সময়।
সাব্বির তিশার দিকে পানির গ্লাসটি বাড়িয়ে দিয়ে তুই কি চিন্তা করেছিস হইতো আমি জানি।
আমাদের আগে বর্ণকে খুঁজে বের করতে হবে।
- আমাকে একটু একা ছাড়।
- আচ্ছা আমি যায়।
- সাব্বির শোন?
- হ্যাঁ বলনা?
- যায় বলতে নেই বলে আসছি।
- হু। কিছু প্রয়োজন হলে আমাকে ফোন দিস। আমি তোর পাশে আছি সব সময়।
- হুম
তবে তিশা একটা জিনিস কিছুতেই মেলাতে পারছে না হুরাইরা কেনো তার সাথে এমনটা করলো??
কেনো বর্ণের সাথে হাত মেলালো?
হুরাইরা তো তার আপন বোনের চেয়েও বেশি।
........
তিশার মা বাবা হুরাইরাকে তাদেএ বাসার সামনে একটি খোলা মাঠ থেকে উদ্ধার করে।
কয়েকটি কুকুর একটা বাক্সের দিকে তাকিয়ে জোর জোরে ডাকছিলো তা দেখে তিশার বাবা সেদিকে এগিয়ে যায়।
বিক্সটি খুলে দেখে ফুটফুটে একটি কন্যা সন্তান।
বাবা তাকে ঘরে নিয়ে আসে।
তিশার প্রায় ৫-৬ থেকে বছরের ছোট হবে হুরাইরা।
প্রথম দেখাতেই তিশা বলে উঠে বাবা বাবা এটা কি আমার বোন?
আমি ওকে হুর বলে ডাকবো?
তিশার মা তারপর ফুটফুটে সেই কন্যা সন্তানটির নাম দিলেন হুরাইরা।
সব কিছুতেই সমান ভাগে ভাগ পেতো হুরাইরা।
নিজের মেয়ের মতোই লালন পালন করে তারা।
কখনো তাকে বুঝতেও দেয় নি যে তারা আসল মা বাবা বোন না।
কিন্তু আজ তিশার কেনো জানি মনে হলো সেদিন কুকুর গুলো যদি.......
...
ভাবতেই বর্ণের ফোন!
তিশার বুক ধুক করে উঠে সাথে সাথে।
ফোনটি রিসিভ করতে চাইলেও যেনো তিশা পারেনি।
সব ফিলিংস গুলো যেনো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
তোর সাথে পরে হিসেব নিকেশ হবে এই বলে মোবাইলটি সাইলেন্ট মুডে করে হুরাইরার রুমের দিকে যায় তিশা।
হুরাইরা কে দেখতেই তিশা কান্না করে ফেলে। তার পাশে আরামে ঘুমোচ্ছে তার মিনি।
যা গতকাল এক হিংস্র প্রাণী উঠেছিলো।
.......
তিশা মনে মনে ভাবে না এভাবে ভেঙ্গে পড়লে চলবে না।
সত্যটা কি তা তার থেকে খুঁজে বের করতেই হবে।
সাথে সাথে তিশার মনে পড়লো হুরাইরা ছোট থেকেই একটি ডায়েরি লিখে।
হইতো তাতে কিছু পাওয়া যাবে?
তিশা হুরাইরার পড়ার টেবিলের ড্রয়ার খুলতেই নীল কালারের সেই ডায়েরিটি পেয়ে যায়।
এরপর আসতে আসতে রুম থেকে বেড়িয়ে নিজ রুমে চেয়ারে ধপাস করে বসে পরে।
এরপর প্রথম পৃষ্ঠাতেই দেখতে পায়
ভালোবাসার পরিবার আমি মা বাবা আর তিশা আপু।
আসতে আসতে কয়েকটি পৃ্ষ্ঠা শেষ করে যেখানে তাদের অতীত গুলো খুব সুন্দর করে লিখা ছিলো।
যা দেখে তিশার চোখ অশ্রু জলে শিক্ত।
....
তিশা আপন মনে ভাবে মেয়েটি এতো সুন্দর করে ডায়েরি লিখে তা খেয়ালই করলাম না আজ পর্যন্ত।
হঠাৎ একটি লাইনে তার চোখ আটকে যায়, সময় যেনো তার থমকে দাঁড়ায়।
এতো সব কিছুর পরেও এটার জন্যে ডিটেকটিভ তিশা প্রস্তুত ছিলো না।
লাইনটিতে লিখা,
আজ আমার ভালোবাসার মানুষ বর্ণের সাথে আমার তিশু আপুনিটার বিয়ে.....
.
চলবে......
তবে তিশা একটা জিনিস কিছুতেই মেলাতে পারছে না হুরাইরা কেনো তার সাথে এমনটা করলো??
কেনো বর্ণের সাথে হাত মেলালো?
হুরাইরা তো তার আপন বোনের চেয়েও বেশি।
........
তিশার মা বাবা হুরাইরাকে তাদেএ বাসার সামনে একটি খোলা মাঠ থেকে উদ্ধার করে।
কয়েকটি কুকুর একটা বাক্সের দিকে তাকিয়ে জোর জোরে ডাকছিলো তা দেখে তিশার বাবা সেদিকে এগিয়ে যায়।
বিক্সটি খুলে দেখে ফুটফুটে একটি কন্যা সন্তান।
বাবা তাকে ঘরে নিয়ে আসে।
তিশার প্রায় ৫-৬ থেকে বছরের ছোট হবে হুরাইরা।
প্রথম দেখাতেই তিশা বলে উঠে বাবা বাবা এটা কি আমার বোন?
আমি ওকে হুর বলে ডাকবো?
তিশার মা তারপর ফুটফুটে সেই কন্যা সন্তানটির নাম দিলেন হুরাইরা।
সব কিছুতেই সমান ভাগে ভাগ পেতো হুরাইরা।
নিজের মেয়ের মতোই লালন পালন করে তারা।
কখনো তাকে বুঝতেও দেয় নি যে তারা আসল মা বাবা বোন না।
কিন্তু আজ তিশার কেনো জানি মনে হলো সেদিন কুকুর গুলো যদি.......
...
ভাবতেই বর্ণের ফোন!
তিশার বুক ধুক করে উঠে সাথে সাথে।
ফোনটি রিসিভ করতে চাইলেও যেনো তিশা পারেনি।
সব ফিলিংস গুলো যেনো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
তোর সাথে পরে হিসেব নিকেশ হবে এই বলে মোবাইলটি সাইলেন্ট মুডে করে হুরাইরার রুমের দিকে যায় তিশা।
হুরাইরা কে দেখতেই তিশা কান্না করে ফেলে। তার পাশে আরামে ঘুমোচ্ছে তার মিনি।
যা গতকাল এক হিংস্র প্রাণী উঠেছিলো।
.......
তিশা মনে মনে ভাবে না এভাবে ভেঙ্গে পড়লে চলবে না।
সত্যটা কি তা তার থেকে খুঁজে বের করতেই হবে।
সাথে সাথে তিশার মনে পড়লো হুরাইরা ছোট থেকেই একটি ডায়েরি লিখে।
হইতো তাতে কিছু পাওয়া যাবে?
তিশা হুরাইরার পড়ার টেবিলের ড্রয়ার খুলতেই নীল কালারের সেই ডায়েরিটি পেয়ে যায়।
এরপর আসতে আসতে রুম থেকে বেড়িয়ে নিজ রুমে চেয়ারে ধপাস করে বসে পরে।
এরপর প্রথম পৃষ্ঠাতেই দেখতে পায়
ভালোবাসার পরিবার আমি মা বাবা আর তিশা আপু।
আসতে আসতে কয়েকটি পৃ্ষ্ঠা শেষ করে যেখানে তাদের অতীত গুলো খুব সুন্দর করে লিখা ছিলো।
যা দেখে তিশার চোখ অশ্রু জলে শিক্ত।
....
তিশা আপন মনে ভাবে মেয়েটি এতো সুন্দর করে ডায়েরি লিখে তা খেয়ালই করলাম না আজ পর্যন্ত।
হঠাৎ একটি লাইনে তার চোখ আটকে যায়, সময় যেনো তার থমকে দাঁড়ায়।
এতো সব কিছুর পরেও এটার জন্যে ডিটেকটিভ তিশা প্রস্তুত ছিলো না।
লাইনটিতে লিখা,
আজ আমার ভালোবাসার মানুষ বর্ণের সাথে আমার তিশু আপুনিটার বিয়ে.....
.
চলবে......

Comments
Post a Comment